ডিপিডিসিতে ত্যাগীর ছদ্মবেশে ফ্যাসিস্টের আধিপত্য

ছাত্র-জনতার ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী, বিশেষ করে ‘হাইব্রিড’ নেতারা এখন বিএনপির সক্রিয় সমর্থক বা কর্মী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় সবরকম সুবিধা ভোগ করা ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) কতিপয় কর্মকর্তারা ভোল পাল্টিয়ে নিজেকে বিএনপি কিংবা জামায়াতের সক্রিয় সমর্থক কিংবা কর্মী হিসেবে জাহির করছে।
বিজ্ঞাপন
এসব ফ্যাসিস্ট সুবিধাভোগীরাই যেন ক্ষমতাসীন দলগুলোর ত্যাগী নেতা কিংবা সমর্থক ছিলেন। এদের কেউ কেউ আবার এরইমধ্যে নিজের অবস্থান সৃষ্টি করে এখন বর্তমান সরকারের আমলে সুবিধাও ভোগ করছেন। আর তাদের এই পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হচ্ছে খোদ ক্ষমতাসীনদেরই কতিপয় নেতাকে। এই সুবিধাবাদী গোষ্ঠী, যারা গত দেড় যুগ আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ভোগ করেছে, তারা এখন মিছিল ও মিটিংয়ে সামনের সারিতে অবস্থান করছে। এসব সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর দৌরাত্ম্যে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন।
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এসব কর্মকর্তাদের অনেকেই নিজেদের অনিয়ম-দুর্নীতি ও চেয়ার বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। ঢেকে ফেলতে চাইছেন নিজেদের ফ্যাসিস্ট আমলের আমলনামা। এবার তাঁরা এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর সক্রিয় সমর্থক বনে যেতে চাইছেন। ফ্যাসিস্ট আমলের পুরো সময়টাতে এরাই সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগের পাশাপাশি পদোন্নতি, ঘন ঘন বিদেশ ট্যুর এবং বড় বড় প্রকল্পের দায়িত্ব বাগিয়ে নিয়েছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডিপিডিসির বঞ্চিত কর্মকর্তারা। ডিপিডিসিতে পদোন্নতি, নিয়োগ-দুর্নীতি, টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত এবং বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের প্রভাবশালী নেতা জিটুজি প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাজিবুল হাদী। ফ্যাসিস্ট আমলে তার চক্রেরই অধিকাংশ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগীরাই এখন ডিপিডিসিতে বিএনপি’র সমর্থক বা নেতা বলে দাবি করছে। এদেরমধ্যে জিটুজি প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আব্দুল মজিদ, মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হাসনাত চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আবুল ফজল মো. বদরুল আলম, তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী শামীম আরা বেগম, শেখ মো. জিয়াউল হাসান, শ্রীবাস চন্দ্র বিশ্বাসসহ আরও অনেকে রয়েছেন ফ্যাসিস্ট সুবিধাভোগীদের তালিকায়।
বিজ্ঞাপন
মো. আব্দুল মজিদ : তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আব্দুল মজিদ বিগত সরকারের পুরোটা সময়জুড়ে লোভনীয় পদে পদায়িত ছিলেন। ক্ষমতা ও অবৈধ অর্থ আয়ের লোভে তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় চাটুকারীতায় ছিলেন অন্যতম একজন।
বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে প্রায় প্রতি বছরই ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে মো. আব্দুল মজিদ ডিপিডিসির আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেখ মুজিবকে নিয়ে বক্তব্য, কবিতা পাঠ করে অনুষ্ঠান মাতিয়ে রাখতেন। এমনকি শেখ মুজিবের জন্মবার্ষিকী, শেখ রাসেল ও শেখ হাসিনার জন্মদিনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান এবং কবিতাও পরিবেশন করতেন। আর এভাবেই তেলবাজি করেই তিনি ডিপিডিসিতে সকল ধরনের ফায়দা লুটতেন। ফ্যাসিস্ট সুবিধাভোগী ম্যানেজ মাষ্টার এই আব্দুল মজিদকে বিএনপি হিসেবে পুনর্বসনে নারায়ণগঞ্জ জোনের দুই জন নির্বাহী প্রকৌশলীর নাম জোড়েশোরে গুঞ্জন উঠেছে।
মো. আব্দুল মজিদের পূর্বের আমলনামা আড়াল করতে ইতোমধ্যেই পাওয়ার সেক্টর বিষয়ক একটি বিতর্কিত ফেসবুক পেজ-এ তিনি একজন ভালো মানের কর্মকর্তা এমন ধরনের স্ট্যাটাস দেয়ানো হয়েছে। অথচ এই একই ফেসবুক পেজ-এ বিদ্যুৎ সচিব ফারহানা মমতাজকে নিয়ে কুরুচী ও ঔদ্ধত্যপূর্ন মন্তব্য প্রচার করেছে।
বিজ্ঞাপন
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রকৌশলীরা জানান, বিতর্কিত যে ফেসবুক পেজ থেকে বিদ্যুৎ সচিব সহ সাংবাদিকদের বিষয়ে কুরুচীপূর্ন ষ্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে সেটির সাথে যদি প্রকৌশলী মো. আব্দুল মজিদের সম্পৃক্ততাও থাকে তবে সেটি আশ্চর্য্য হবার বিষয় নয়। তবে মো. আব্দুল মজিদ এসব ব্যাপারে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।
মোহাম্মদ হাসনাত চৌধুরী : ডিপিডিসির মহাব্যবস্থাপক (জিএম, এইচআর) মোহাম্মদ হাসনাত চৌধুরী। বিগত আওয়ামীলীগ ফ্যাসিস্ট সরকারের আস্থাভাজন কর্মকর্তা হিসেবে ডিপিডিসির প্রধান কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করার সুবাদে ‘সিন্ডিকেট’ তৈরি করেন তিনি। ডিপিডিসির ডিএসএস, সিএসএস ঠিকাদার নিয়োগ, গ্রাহকের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ, নীতিমালা ভঙ্গ করে বিদ্যুৎ সংযোগ ও বদলি-বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে তিনি জড়িত ছিলেন বলেন অভিযোগ রয়েছে।
এমনকি ফ্যাসিস্ট আমলে তার দোর্দন্ড প্রতাপে অনেক কর্মকর্তাও তটস্থ থাকতেন বলে জানা যায়। অথচ তিনি আজও রয়েছেন বহাল তবিয়তে, এমনটাই আফসোস সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।
বিজ্ঞাপন
মোহাম্মদ হাসনাত চৌধুরীর পিএ রানা। ডিপিডিসিতে বিকাশ রানা নামেই পরিচিত। প্রশাসনের সবাই বদলী হলে বিকাশ রানা একই চেয়ারে দীর্ঘদিন। হাসনাতের আশির্বাদে দীর্ঘদিন আকড়ে রেখেছেন এই চেয়ার। তার ২০ থেকে ২৫টি বিকাশ একাউন্ট রয়েছে। হাসনাতের অবৈধ বদলি বাণিজ্যর টাকা আসে বিকাশ রানার একাউন্টে। অতীতে কয়েকজন নির্বাহী পরিচালক ও ডিজিএম চেষ্টা করে ও বদলী করতে পারেনি। হাসনাতের টেবিলে বা ই নথিতে বছরের পর বছর ফাইল পরে থাকে এ গুলো দেখার কেউ নাই। তার টেবিল বা ই নথি চেক করে তারিখ মিলালেয় বুঝা যাবে টাকা ছাড়া ফাইল সই করেন না হাসনাত। ডিপিডিসির আতঙ্কের আরেক না আতংকের নাম হাসনাত। টাকা ছাড়া কোন নথি গেলেই সেটা নেগেটিভ হয়ে যায়। তার চাকরি জীবনে কোন ফাইল পজিটিভ হয়েছে এমন নজির নাই।
মো. রাজিবুল হাদী : ডিপিডিসির জিটুজি প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাজিবুল হাদী। অভিযোগ রয়েছে- পতিত স্বৈরাচার সরকারের সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ছত্রছায়ায় শক্তিশালী সিন্ডিকেট করে গড়ে তুলেছিলেন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাম্রাজ্য। কর্মজীবনের ১৬ বছরে হয়েছেন বিপুল সম্পদের মালিক।
অর্থের লোভে দেশের স্বার্থ ক্ষুন্ন করে চীনাদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেছেন। যোগ্য ঠিকাদারের পরিবর্তে প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দিতেন অযোগ্যদের। বিনিময়ে হাতিয়ে নিতেন বিপুল টাকা। রাজিবুল হাদী ডিপিডিসির খিলগাঁও ডিভিশনে কর্মরত থাকাকালে গ্রাহকদের সঙ্গে অসদাচরণ, হয়রানি এবং নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে করতেন নানা টালবাহানা অভিযোগতো রয়েছেই।
বিজ্ঞাপন
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিপিডিসির একজন কর্মকর্তা বলেন, রাজিবুল হাদী চাইনিজ বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে বিভিন্ন নকশা, ড্রইং ডিজাইন করে দিতেন। ডিজাইনে হেরফের করে প্রকল্পের শত শত কোটি টাকা অপচয় করেন। মোট বিলের পাঁচ শতাংশের বিনিময়ে সিনম নামে একটি চাইনিজ কোম্পানিকে দুইশ’ কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ পেতেও সহায়তা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার এ সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অর্ন্তবর্তী সরকারের সময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র পরিষদ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষদ ফিরিস্তি তুলে ধরা হয়।
সূত্র বলছে, হাদী নিজেই বিদেশিদের এজেন্ট। অফিস শেষ করে অফিসের গোপনীয় সমস্ত ডকুমেন্ট নিয়ে গুলশানে চলে যায়। এখানে ডকুমেন্ট আদান-প্রদান, টাকা লেনদেন ও বিনোদনের ব্যবস্থা থাকে। স্বৈরাচারের দোসর নারায়গঞ্জের গডফাদার শামীম ওসমানের ডানহাত শাহ্ নিজামের ভায়রা এই প্রকৌশলী হাদী। শাহ্ নিজামের প্রভাব খাঠিয়ে সমস্ত অপকর্মই করেছেন তিনি। জি টু জি অফিসে শাহ্ নিজামের অবাদ যাতায়াত ছিল। সেই সময় শাহ্ নিজাম জি টু জি প্রকল্পের ঠিকাদারী কাজ করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বদরুল আলম: পলাতক ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে ডিপিডিসি’র প্রধান প্রকৌশলী আবুল ফজল মো. বদরুল আলম ছিলেন দোর্দন্ড প্রতাপশালীদের মধ্যে অন্যতম। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় পুরো আমলটাই তিনি ছিলেন একটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি)। আর এই প্রকল্পের কাজ করেছে ভারতীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। প্রকৌশলী বদরুল আলম রাজধানীর মোহাম্মদপুরের তাজমহল সড়কে ৪টি বাড়ি নির্মান করেছেন।
বিজ্ঞাপন
শামীম আরা বেগম: ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামীম আরা বেগম ডিপিডিসি’র বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের প্রথম সারির নেতা ছিলেন। আওয়ামী সরকারের আমলে সাবেক সংসদ সদস্য ও আইইউবি’র সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সবুর খানের খুবই আস্থাভাজন ছিলেন এই শামীম আরা বেগম। তার দাপটে অনেক সিনিয়র কর্মকর্তারাও তটস্থ থাকতেন। সেই কর্মকর্তাই এখন আবার বর্তমান সরকারের আমলেও মোক্ষম স্থানে পোস্টিং নিচ্ছেন আর বঞ্চিত হচ্ছেন ত্যাগী ও নির্যাতিত কর্মকর্তারা।
ডিপিডিসিতে ঘাপটি মেরে থাকা এইসব দুর্নীতিবাজ এবং বিগত আওয়ামীলীগ ফ্যাসিস্ট সরকারের আস্থাভাজন কর্মকর্তাগণ ডিপিডিসিকে একটি অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার জন্য এবং নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বর্তমানে নিজেদেরকে বৈষম্য বিরোধী বলে দাবি করছে। আদতে তারা ডিপিডিসির মত একটি স্বনামধন্য ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর এবং দুর্নীতিগ্রস্ত কোম্পানিতে পরিণত করার পরিকল্পনায় ব্যস্ত। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ডিপিডিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরিয়ে তারা এবং তাদের সমমনা কর্মকর্তাদের দিয়ে ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নির্বাহী পরিচালক পদে নিজেদেরকে আদিষ্ট করে ডিপিডিস্ত রাম রাজত্ব কায়েমের পায়তারা ব্যস্ত। এহেন পরিস্থিতিতে যদি তারা সফলকাম হয় তবে অদূর ভবিষ্যতে ডিপিডিসি ডেসার ন্যায় একটি অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হাইব্রিড নেতাদের রুখতে না পারলে দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও আদর্শিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। এই চক্রটি বর্তমান ম্যানেজমেন্টকে অকেজো করে দিয়ে নিজেদের অনুসারীদের শীর্ষ পদে বসানোর পাঁয়তারা করছে। এটি সফল হলে ডিপিডিসি কেবল একটি অকার্যকর প্রতিষ্ঠানই হবে না, বরং জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
বিজ্ঞাপন
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, ‘১৫ বছরের ফ্যাসিবাদীদের জন্য বিএনপিতে কোনো ‘সেফ প্যাসেজ’ নেই। যারা ডিপিডিসিকে দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছে, তাদের জায়গা হবে কারাগারে, কোনো রাজনৈতিক দলের আশ্রয়ে নয়।’
পেশাজীবীদের শীর্ষ সংগঠন এ্যাব-এর সাবেক সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আসাদুজ্জামান চুননু বলেন, ‘আমরা প্রতিটি স্তরে তদারকি করছি। খোলস পাল্টে কেউ পার পাবে না। খুব শীঘ্রই ডিপিডিসি থেকে এসব জঞ্জাল পরিষ্কার করা হবে এবং ত্যাগীদের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে।’
আবার ড্যাবের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ডা. শাহ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ মনে করেন, এই হাইব্রিডদের চিহ্নিত করা কেবল রাজনৈতিক নয়, একটি নৈতিক দায়িত্বও বটে। তিনি ডিপিডিসির সকল স্তরের কর্মচারীদের এই অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
বিজ্ঞাপন
এ ব্যাপারে ডিপিডিসি’র নির্বাহী পরিচালক (প্রসাশন) মোহাম্মদ হায়দার আলীর মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবারেই একবার রিংটোন বাজার পর সংযোগটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বা করা হয়।
বিষয়টি নিয়ে ডিপিডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এমডি নূর আহদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা সম্ভব হয়নি।
ডিপিডিসির সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন তাকিয়ে আছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগের দিকে। তারা আশা করছেন, ৫ আগস্টের শহীদের রক্তের মর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে এই ফ্যাসিবাদের দোসরদের চিহ্নিত করে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ডিপিডিসিকে একটি স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
বিজ্ঞাপন








