Logo

ঢাকার ‘স্মার্ট কবরস্থান’ উদ্যোগ বাস্তবে এগিয়েছে কতটা?

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৬:১৩
ঢাকার ‘স্মার্ট কবরস্থান’ উদ্যোগ বাস্তবে এগিয়েছে কতটা?
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা শহরে মৃত্যুর পর স্থায়ী ঠিকানা পাওয়া অনেকের জন্যই সহজ নয়। নিজস্ব জমি না থাকলে সরকারি কবরস্থানে স্বজনকে দাফনের জন্যও নানা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কোথায় নতুন কবরের জায়গা রয়েছে, কোন কবরস্থানে দাফনের সুযোগ আছে কিংবা বহু বছর আগে দাফন করা স্বজনের কবরটি ঠিক কোথায়—এসব তথ্য খুঁজে পেতে এখনো অনেক ক্ষেত্রে কবরস্থান কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করতে হয়।

বিজ্ঞাপন

এই বাস্তবতা বদলাতে কবরস্থান ব্যবস্থাপনাকে প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ‘Graveyard Management DNCC’ এবং ‘Graveyard Management DSCC’ নামের অ্যাপের মাধ্যমে কবরস্থান, দাফন এবং কবরের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনার কাজ চলছে। এরই মধ্যে কিছু সেবা চালু হয়েছে, পাশাপাশি অ্যাপ উন্নয়নের কাজও অব্যাহত রয়েছে।

বর্তমান ব্যবস্থায় তথ্য পেতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তা নিতে হয়। এতে সময়ক্ষেপণের পাশাপাশি তৈরি হয় নানা ধরনের ভোগান্তি। একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডেটাবেজ থাকলে কোন কবর কোথায়, কখন দাফন হয়েছে কিংবা সংরক্ষণের মেয়াদ কখন শেষ হবে—এসব তথ্য দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে।

দীর্ঘ সময় পর স্বজনের কবর জিয়ারতে এসে যেন কাউকে খুঁজতে কর্মীদের ওপর নির্ভর করতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই ডিজিটাল ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে দুই সিটি করপোরেশন। তবে এই ব্যবস্থার কার্যকারিতা অনেকটাই নির্ভর করবে তথ্য কতটা নির্ভুল এবং নিয়মিত হালনাগাদ রাখা হচ্ছে তার ওপর।

বিজ্ঞাপন

ঘরে বসেই দাফনের আবেদন

ডিএনসিসির উদ্যোগে বর্তমানে অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কবরস্থানের তালিকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং নিয়ম-কানুন দেখার সুযোগ রয়েছে। ঘরে বসে দাফনের আবেদনও করা যায়।

আবেদনের সময় মৃত ব্যক্তির নাম, বাবা-মায়ের নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন নম্বর, লিঙ্গ, মৃত্যুর তারিখ, সময় ও কারণসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র স্ক্যান করে আপলোডের ব্যবস্থাও রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আবেদনটি সংশ্লিষ্ট কবরস্থানের ব্যবস্থাপকের কাছে পৌঁছানোর পর অনুমোদন হলে দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। পরবর্তী সময়ে অনলাইন সনদ দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।

শুধু নতুন দাফনের তথ্য নয়, আগে দাফন করা ব্যক্তিদের তথ্যও ডিজিটাল ডেটাবেজে যুক্ত করার কাজ চলছে। কবরের নির্দিষ্ট অবস্থান এবং সেখানে কার দাফন হয়েছে—এসব তথ্য সংরক্ষিত থাকলে দীর্ঘ সময় পরও স্বজনরা সহজে কবর শনাক্ত করতে পারবেন।

২০২৩ সালের ১৩ মে নগর ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, নগরবাসীর সুবিধার জন্য উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন কবরস্থানগুলোর কবরের তথ্য নিয়ে একটি শক্তিশালী ডেটাবেজ তৈরি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

কার কবরের ওপর আরেকটি কবর—এভাবে স্তরভিত্তিক দাফনের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে বলে তখন জানানো হয়। এর ফলে হারিয়ে যাওয়া বা শনাক্ত করতে জটিল এমন কবরও তথ্যের মাধ্যমে খুঁজে বের করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ছয় কবরস্থান দিয়ে শুরু

স্মার্ট কবরস্থান ব্যবস্থাপনার প্রাথমিক পর্যায়ে ডিএনসিসির বনানী, মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী, রায়েরবাজার এবং উত্তরা ৪, ১২ ও ১৪ নম্বর সেক্টর কবরস্থানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বিজ্ঞাপন

ডিজিটাল ব্যবস্থায় একটি কবরস্থানের প্রতিষ্ঠাকাল, আয়তন, মোট কবরের সংখ্যা, সাধারণ ও সংরক্ষিত কবরের অনুপাত, দাফনের সংখ্যা এবং ভবিষ্যৎ ধারণক্ষমতার মতো তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব। এসব তথ্য ভবিষ্যৎ নগর পরিকল্পনা ও কবরস্থান ব্যবস্থাপনায়ও কাজে লাগতে পারে।

আজিমপুরেও চলছে ডিজিটাল রূপান্তর

রাজধানীর আজিমপুর পুরাতন কবরস্থানও ধীরে ধীরে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার আওতায় আসছে। এরই মধ্যে কবরস্থানের লেন নম্বর চালু করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে প্রতিটি কবরের নম্বর দেওয়ার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কবরস্থানের মোহরার হাফিজুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু হলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দিষ্ট কবরের অবস্থান জানা সম্ভব হবে।

হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ডিজিটালাইজেশনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। লেন নম্বর আমরা নিজেরাই করেছি, সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ এটাকে অ্যাকসেপ্ট করেছে। অচিরেই কবরের নম্বরসহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু হলে আপনি ওয়েবসাইটে গিয়ে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে আপনার পরিবারের সদস্যদের কবর দেখতে পারবেন। গুগল ম্যাপের মতোই ডিজিটালাইজেশন হলে ওখান থেকেই দেখতে পারবেন।’

ডিএসসিসির ওয়েবসাইটে বর্তমানে আজিমপুর কবরস্থানের কিছু ডিজিটাল সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। ভার্চুয়াল ট্যুরের মাধ্যমে কবরস্থানের বিভিন্ন অংশ দেখা এবং কবরের অবস্থান শনাক্ত করার সুযোগ রয়েছে। তবে অন্য কবরস্থানগুলোর তথ্য এখনো একইভাবে উন্মুক্ত হয়নি; সেসবের কাজ চলমান।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক আব্দুস সালামের বক্তব্যের জন্য যোগাযোগ ও লিখিত প্রশ্ন পাঠানো হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অ্যাপ চালু হলেও ব্যবহার কতটা?

কোনো প্রযুক্তিনির্ভর সেবার সফলতা শুধু অ্যাপ তৈরির ওপর নির্ভর করে না; নাগরিকরা সেটি কতটা ব্যবহার করছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

বিজ্ঞাপন

আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ‘Graveyard Management DNCC’ অ্যাপটির ডাউনলোড সংখ্যা এক হাজারের কিছু বেশি। রিভিউ রয়েছে মাত্র ১৬টি। ঢাকার বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় এই ব্যবহার খুবই সীমিত।

ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর একটি রিভিউতে একজন ব্যবহারকারী অ্যাপটির উপকারিতার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি সেবা পেতে দেরি হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেছেন।

এতে বোঝা যায়, প্রযুক্তি চালু হওয়ার পর সেটিকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারে নিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এর জন্য প্রচার, নাগরিক সচেতনতা এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অ্যাপের ব্যবহারবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তথ্য হালনাগাদ

স্মার্ট কবরস্থান ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শুধু অ্যাপ বা ওয়েবসাইট নয়; বরং এর পেছনের ডেটাবেজ কতটা নির্ভরযোগ্য, সেটি।

রাজধানীতে প্রতিদিন নতুন দাফন হচ্ছে। কোনো কবর সংরক্ষণ করা হচ্ছে, কোনো কবরের সংরক্ষণকাল শেষ হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট সময় পর কিছু কবর পুনর্ব্যবহারও করা হচ্ছে। এসব পরিবর্তন দ্রুত ডেটাবেজে যুক্ত না হলে অনলাইন তথ্য বাস্তব অবস্থার সঙ্গে মিলবে না।

বিজ্ঞাপন

তাই তথ্য কে সংগ্রহ করবেন, কে যাচাই করবেন, কত সময় পরপর ডেটা আপডেট হবে এবং ভুল তথ্য সংশোধনের পদ্ধতি কী—এসব বিষয়ে কার্যকর জবাবদিহি প্রয়োজন।

কবরস্থানের জায়গার সংকটও বড় বাস্তবতা

প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি ঢাকায় কবরস্থানের জায়গার সংকটও সমাধান করা জরুরি। আজিমপুর কবরস্থানের মোহরার মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রতিবছর দাফনের সংখ্যা বাড়লেও কবরস্থানের জায়গা বাড়ছে না। ফলে সাধারণ কবরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত পরিমাপ বজায় রাখা সম্ভব হয় না। এটি অনিচ্ছাকৃত হলেও বাস্তবতার কারণেই ঘটছে।’

তিনি বংশাল, কামরাঙ্গীরচর ও পুরান ঢাকার আশপাশে নতুন সরকারি কবরস্থানের জন্য জমি খোঁজার ওপর গুরুত্ব দেন। তার মতে, নতুন জায়গার ব্যবস্থা না হলে ভবিষ্যতে আজিমপুরে দাফন পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

আজিমপুর কবরস্থান ডিজিটালাইজেশনের বিষয়ে ডিএসসিসির সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বলেন, ‘দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কবরস্থানগুলোতে ডিজিটালাইজেশনের অনেক কাজ এখনো বাকি।’

নতুন কবরস্থানের বিষয়ে সরকারের বক্তব্য

ঢাকায় নতুন কবরস্থান নির্মাণ ও ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. রবিউল ইসলাম (সিটি করপোরেশন–১) বলেন, ‘ঢাকার কবরস্থান পরিচালনার দায়িত্ব উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের। নতুন কবরস্থানের পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের একচ্ছত্র এখতিয়ার মেয়র ও সিটি করপোরেশনের। তারা সঠিক পরিকল্পনা করে প্রস্তাব পাঠালে সরকার অবশ্যই তা অনুমোদন করবে। সরকারের কাজ মূলত প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া।’

অর্থাৎ নতুন কবরস্থানের প্রয়োজন নির্ধারণ ও প্রস্তাব তৈরির দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের; সরকার সেই প্রস্তাবে প্রশাসনিক অনুমোদনের ভূমিকা পালন করবে।

অনলাইন ফি ও পূর্ণাঙ্গ সেবা এখনো বাকি

একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল কবরস্থান ব্যবস্থাপনায় শুধু অনলাইনে আবেদন করলেই হবে না। দাফন ও কবর সংরক্ষণের ফি অনলাইনে পরিশোধের সুযোগ, অনুমোদন প্রক্রিয়ার ডিজিটাল সমন্বয় এবং সনদ পাওয়ার ব্যবস্থা একই প্ল্যাটফর্মে থাকা প্রয়োজন।

পাশাপাশি ফি, নিয়ম-কানুন ও সংরক্ষণসংক্রান্ত তথ্য পরিবর্তিত হলে সেগুলোও দ্রুত অনলাইনে হালনাগাদ করতে হবে। তা না হলে প্রযুক্তি থাকার পরও নাগরিকদের বিভ্রান্তির সুযোগ থেকে যাবে।

ডিএসসিসির প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বলেন, ‘কয়েক বছর আগে ডিএসসিসির কবরস্থানের যাবতীয় তথ্য নিজস্ব ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এটা নাগরিক সেবায় যথেষ্ট নয়। তাই এখন ওই তথ্য হালনাগাদ করার উদ্যোগ নিয়েছি। আমার ডিএসসিসির কবরস্থানগুলোর কবরের নাম্বারিং করতে চাই। এ কাজটি আজিমপুর কবরস্থান দিয়ে শুরু করবো।’

আজিমপুরের কবরগুলোর ডেটাবেজ তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজিমপুর কবরস্থানে ২৬ হাজার কবর রয়েছে। কিন্তু কোনো কবরের নম্বর নেই। ফলে কেউ তাদের স্বজনদের দাফন করে গেলে কয়েক মাস পরে গিয়ে তার কোনো চিহ্ন পান না। এখন আমরা সব কবরের ডাটাবেজ করবো। যাতে কাউকে দাফনের পর তার স্বজনেরা বলতে পারে, এটি আমার আত্মীয়ের কবর।’

অ্যাপভিত্তিক সেবা চালুর পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘ওই বাজেট দিয়ে অ্যাপ তৈরি, কবরস্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকেরা জানতে পারবেন, সেখানে কয়টি কবর ফাঁকা আছে। এর মাধ্যমে কবরস্থান ব্যবস্থাপনা আরও সহজ করবো। এছাড়া নাগরিকেরা যাতে মরদেহ দাফনের পর অনলাইনে মৃত্যু সনদ পেতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করা হবে।’

অন্যদিকে ডিএনসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, ‘ডিএনসিসির ‘গ্রেভইয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট ডিএনসিসি’ অ্যাপটি তৈরি করেছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)। কিন্তু তখন এ অ্যাপটি ডিএনসিসির ওয়েবসাইটে লিংক যুক্ত করা হয়নি। এখন ওই অ্যাপের লিংক ডিএনসিসির ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল থেকে সার্টিফিকেশনের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ সার্টিফিকেশন পেলে জনগণ অ্যাপটি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।’

সব মিলিয়ে ঢাকার কবরস্থান ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি হয়েছে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ ‘স্মার্ট কবরস্থান’ গড়ে তুলতে অ্যাপের পাশাপাশি নির্ভুল ম্যাপিং, নিয়মিত ডেটা হালনাগাদ, অনলাইন ফি, দ্রুত অনুমোদন, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং পর্যাপ্ত কবরস্থানের জায়গা নিশ্চিত করতে হবে। প্রযুক্তির ব্যবহার যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ সেই প্রযুক্তির পেছনের তথ্য ও ব্যবস্থাপনাকে নির্ভরযোগ্য করা।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD