যদি দোষী হয়ে থাকি, আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করে দেন : এনামুল হক

বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নিলাম রবিবার (৩০ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এর আগে ফিক্সিং–সংশ্লিষ্ট সন্দেহের কারণ দেখিয়ে দেশীয় ক্রিকেটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এনামুল হক বিজয়সহ আরও কয়েকজনকে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিসিবির কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সফল হননি বলে দাবি করেছেন বিজয়। পরে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ক্ষোভ ঝাড়েন এই উইকেটরক্ষক–ব্যাটার।
বিজ্ঞাপন
লাইভে বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন বিজয়। তিনি বলেন, আমি এই লাইভটা করতাম না, যদি বিসিবিকে ফোনে পেতাম। মেইল করেও যোগাযোগের চেষ্টা করেছি… কিন্তু কোনো রেসপন্স পাইনি। তাই বাধ্য হয়েই লাইভে আসতে হলো। আমার প্রথম প্রশ্ন—নিউজের পর আমাকে ড্রাফট থেকে বাদ দেওয়া হলো কেন? আমি কি দোষী? দোষী হলে প্রমাণ চাই।
বিজয় আরও বলেন, সারা বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ হয়ে বলতে চাই—আমি যদি দোষী হয়ে থাকি, আমাকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করে দিন। আমি তো অনেকের পছন্দের খেলোয়াড় নই, হয়তো অনেকের কাছে ভালো সতীর্থও না। তাহলে ঠিক আছে, আমার আর খেলার প্রয়োজন নেই। কিন্তু দোষী হলে প্রমাণ দেখাতে হবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি দাবি করেন, দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগেই বিপিএলের ড্রাফট থেকে বাদ দেওয়া তার ব্যক্তিগত সম্মানহানির শামিল। এজন্য সম্মান ফেরত চাইলেন এই ক্রিকেটার। সমাধানটা কী হবে আমি জানতে চাই। গত বছর যা হয়েছে তা তো হয়েছেই। আপনার কাছে যদি প্রমাণ থাকে আমাকে নিষিদ্ধ করুন—খুশি মনে মেনে নেব। সবাই জানুক আমি খারাপ, অপরাধী। কিন্তু যদি না হয়, তাহলে আমার সম্মান ফিরিয়ে দিতে হবে। মানহানি তো আমারই হচ্ছে।
আরও পড়ুন: লিটনের ফিফটিতে সহজ জয় বাংলাদেশের
উল্লেখ্য, আজ বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে বিপিএলের নিলাম, যা রাত ৮-৯টা পর্যন্ত চলতে পারে। এর আগে শনিবার বিসিবি দেশীয় ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে, যেখানে মোট ১৫৮ জনের নাম রয়েছে। তবে বাদ পড়েছেন আটজন—এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আলাউদ্দিন বাবু, মিজানুর রহমান, নিহাদ-উজ্জামান, সানজামুল ইসলাম, মনির হোসেন খান ও শফিউল ইসলাম।








