সেমিফাইনালের রাস্তা কঠিন, তবু অঙ্কে বাঁচার আশা ভারতের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হেরে ভারত বড় ধাক্কা খেল। টানা ১২ ম্যাচ জয়ের পর এই হারের ফলে ভারতকে বাকি দুই ম্যাচ জিতলেও অন্য দলের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।
বিজ্ঞাপন
গ্রুপ-১ এ দক্ষিণ আফ্রিকা বর্তমানে সবার ওপরে অবস্থান করছে, তাদের পয়েন্ট ২ এবং নেট রানরেট +৩.৮০০। ভারতের নেট রানরেট -৩.৮০০ এবং তারা তলানিতে আছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে এখনও কোনো ম্যাচ খেলেনি।
ভারতের বাকি দুই ম্যাচ রয়েছে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। ২৬ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে মুখোমুখি হবে ভারত, আর ১ মার্চ ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে খেলবে। এই দুই ম্যাচ জিতলে ভারত ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করবে।
বিজ্ঞাপন
তবে সেমিফাইনালে ওঠার জন্য শুধুই এই জয়ে কেবল চলবে না। দক্ষিণ আফ্রিকা যদি বাকি দুই ম্যাচও জিতে, তারা ৬ পয়েন্টে পৌঁছাবে। সেই পরিস্থিতিতে ভারত ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে উঠতে পারবে, কারণ জিম্বাবুয়ে বা ওয়েস্ট ইন্ডিজ বেশি পয়েন্ট পাবে না।
কিন্তু যদি দক্ষিণ আফ্রিকা বাকি ম্যাচে হারে এবং ভারত জিতলেও তিন দলের মধ্যে ৪ পয়েন্টের সমতা তৈরি হয়, তখন নেট রানরেটের ওপর নির্ভর করতে হবে। ভারতকে তাদের পরের দুই ম্যাচ বড় ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করতে হবে এবং পাশাপাশি আশা রাখতে হবে যে দক্ষিণ আফ্রিকার হারের ব্যবধান বেশি না হয়।
বিজ্ঞাপন
সুপার এইটের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রুপে চারটি করে দল থাকছে এবং দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে। যদি দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হয়, সেক্ষেত্রে প্রথমে জয়ের সংখ্যা, তারপর নেট রানরেট, এরপর নিজেদের মধ্যে ম্যাচ ফল এবং শেষমেশ আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাংকিং (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুযায়ী) দেখেই অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।
এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতকে বাকি দুই ম্যাচে জেতাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। আর যদি আবার হেরে যায়, তাহলে সূর্যকুমার যাদবদের নেতৃত্বে ভারতকে সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ ন্যূনতম হবে।








