৯ উইকেটের দাপুটে জয়, সেমির পথে দক্ষিণ আফ্রিকা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। ক্যারিবীয়দের ৯ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান দখল করেছে প্রোটিয়ারা।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে ২৩ বল ও ৯ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে এইডেন মারক্রামের দল।
এই জয়ে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারত ও জিম্বাবুয়ে যথাক্রমে তিন ও চারে অবস্থান করছে। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারত জিম্বাবুয়েকে হারালেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হবে প্রোটিয়াদের।
বিজ্ঞাপন
১৭৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ওপেনিং জুটিতে আসে ৯৫ রান। তাতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় প্রোটিয়ারা। ফিফটির থেকে ৩ রান পেছনে থেকে আউট হন ওপেনার কুইন্টন ডি কক। তার ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ২৭ রান।
এরপর রায়ার রিকেলটনকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন দলনেতা ও ওপেনার এইডেন মারক্রাম। দুজন মিলে গড়েন অপ্রতিরোধ্য ৮২ রানের জুটি। ফিফটি পূরণের পর ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন মারক্রাম। মাত্র ৪৬ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি সাতটি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। আর ২৮ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন রিকেলটন।
এর ম্যাচের ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই চার উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপরও উইকেট পতনের ধারা আটকাতে পারেনি তারা। সময়ের পরিক্রমায় হারাতে থাকে একের পর এক উইকেট। দলীয় ওপেনার সাই হোপ আউট হন ৬ বলে ১৬ রানে। মাত্র ৩ রান আসে আগের ম্যাচের জয়ের নায়ক শিমরন হেডমায়ারের ব্যাট থেকে।
বিজ্ঞাপন
সাত উইকেট হারিয়ে যখন চাপে পড়ে দল, তখনই দারুণ জুটি গড়েন শেফার্ড-হোল্ডার। অষ্টম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৮৯ রানের জুটি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে অষ্টম উইকেটে এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটি। এর আগে সবচেয়ে বেশি রানের জুটিটি ছিল নেদারল্যান্ডের প্রেস্টন মোমসেন ও এসএম শরিফের।
শেফার্ড-হোল্ডার দুজনই অর্ধশতকের পথে ছিলেন। কিন্তু ইনিংসের শেষ ওভারের পঞ্চম বলে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলে আর ফিফটি করা হয়নি জেসন হোল্ডারের। ৩১ বলে ৪৯ রানে আউট হন তিনি। এদিকে শেষ বলে চার হাঁকিয়ে ফিফটি তুলে নেন রোমিও শেফার্ড। ৩৭ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া ব্রেন্ডন কিং ২১, রোভম্যান পাওয়েল ৯, রোস্টন চেজ ২ ও শেরফাইন রাদারফোর্ড ১২ রান করেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে লুঙ্গি এনগিদি ৩টি উইকেট নেন। কাগিসো রাবাদা ও কোরবিন বোচ শিকার করেন দুটি করে উইকেট।








