ভালো জীবনসঙ্গী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার: আকরাম খান

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সোনালি ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম আকরাম খান। তার নেতৃত্বেই ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে শক্ত অবস্থান তৈরি করে বাংলাদেশ। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে দেশের প্রথম ওয়ানডে জয়ের নেতৃত্বও আসে তার হাত ধরেই।
বিজ্ঞাপন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৮টি টেস্ট ও ৪৪টি ওয়ানডে খেললেও অবসরের পরও ক্রিকেট প্রশাসনে নানা ভূমিকায় সক্রিয় ছিলেন তিনি। নির্বাচক, প্রধান নির্বাচক এবং বোর্ড পরিচালক—বিভিন্ন পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন এই সাবেক অধিনায়ক।
সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন আকরাম খান। সেখানে পারিবারিক নানা সিদ্ধান্তে স্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, জীবনে একজন ভালো জীবনসঙ্গী পাওয়াটাও ভাগ্যের বিষয়।
বিজ্ঞাপন
স্ত্রীর পরামর্শের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিরক্ত হলেও পরে বুঝেছেন—স্ত্রীর সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল। নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের একটি অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, একবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে স্ত্রী তাকে একটি ক্লাবের সদস্য হওয়ার পরামর্শ দেন। তখন বিষয়টি ভালোভাবে নেননি তিনি এবং রাগের বশে গাড়ির কাঁচে আঘাত করে বসেন। তবে পরবর্তীতে সেই ক্লাবের সদস্য হয়ে উপকারই পেয়েছেন বলে স্বীকার করেন তিনি।
খাবারের অভ্যাস পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও স্ত্রীর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে জানান আকরাম খান। একসময় মাছ খেতে পছন্দ করতেন না তিনি, মাংসই ছিল প্রধান পছন্দ। কিন্তু স্ত্রীর উৎসাহেই ধীরে ধীরে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসে এবং এখন মাছ খেতেও অভ্যস্ত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া পরিবার, ব্যবসা এবং সন্তানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায়ও স্ত্রীর অবদান রয়েছে বলে জানান তিনি। বিশেষ করে সন্তানদের পড়াশোনার সুবিধার্থে ঢাকায় আসার সিদ্ধান্তটিও তার স্ত্রীর চিন্তা থেকেই এসেছে বলে উল্লেখ করেন।
জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে স্ত্রীর অবদান স্বীকার করে আকরাম খান বলেন, একজন ভালো স্ত্রী পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের বিষয়।








