শেষ মুহূর্তে একাদশে ডাক, টসের ঠিক আগে খেলার খবর পান শরিফুল

ম্যাচ শুরুর একেবারে শেষ সময়ে দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার শরিফুল ইসলাম। মিরপুরে অনুষ্ঠিত প্রথম ওয়ানডেতে টসের ঠিক আগে তাকে জানানো হয় যে তিনি একাদশে খেলবেন।
বিজ্ঞাপন
প্রথমে গণমাধ্যমে যে সম্ভাব্য একাদশ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে জায়গা ছিল মোস্তাফিজুর রহমানের। তবে ম্যাচের আগে হঠাৎ পরিবর্তন এনে তার পরিবর্তে সুযোগ দেওয়া হয় শরিফুলকে। দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি।
শরিফুল জানান, ওয়ার্মআপ চলাকালীনই তিনি বুঝতে পারেন যে দলে সুযোগ পেতে পারেন। পরে টসের এক-দুই সেকেন্ড আগে তাকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। দ্রুত ড্রেসিংরুমে গিয়ে প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামেন এই বাঁহাতি পেসার।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, একজন পেশাদার ক্রিকেটারের জন্য যেকোনো সময় প্রস্তুত থাকা জরুরি। স্কোয়াডে থাকা প্রতিটি খেলোয়াড়ই সুযোগের অপেক্ষায় থাকে এবং কোচিং স্টাফ যাকে প্রয়োজন মনে করে, তাকেই মাঠে নামানো হয়। এ সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়দের হাতে থাকে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়েও নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে জানান শরিফুল। তিনি বলেন, রান-আপ নেওয়া, কিছু ওয়ার্মআপ ডেলিভারি করা—এরপরই ম্যাচে অংশ নেন তিনি এবং নিজের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট থাকার কথাও জানান।
আরও পড়ুন: পুত্রসন্তানের বাবা হলেন রশিদ খান
বিজ্ঞাপন
উইকেট প্রসঙ্গে শরিফুল ইসলাম বলেন, মিরপুরের পিচ প্রত্যাশার চেয়ে ভিন্ন আচরণ করেছে। দল যেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিল, বাস্তবে উইকেট তার থেকে আলাদা ছিল। তবে পরিস্থিতি যেমনই হোক, সেটির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি।
প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের পরও দলের ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই পেসার। তার মতে, ক্রিকেটে একটি ইউনিট ভালো করলে অন্যটি ব্যর্থ হতে পারে, তবে সমন্বয়ই গুরুত্বপূর্ণ। বোলিং আরও ভালো হলে ব্যাটসম্যানদের কাজ সহজ হতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দলীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে শরিফুল বলেন, সবাই একে অন্যকে সহযোগিতা করছে এবং পরবর্তী ম্যাচে ভালো ফলের প্রত্যাশা রয়েছে।








