অবসর ভেঙে জার্মানির বিশ্বকাপ দলে ফিরলেন নয়্যার

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও মানুয়েল নয়্যারকে জাতীয় দলে ফিরিয়েছে জার্মানি। প্রায় দুই বছর আগে সর্বশেষ জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নেমেছিলেন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক। পরে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেও আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তাকে আবারও দলে ডেকেছেন জার্মান কোচ ইউলিয়ান নাগেলসমান।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করে জার্মানি। সেখানে সবচেয়ে আলোচিত নাম ছিল নয়্যারের প্রত্যাবর্তন। অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষককে দলে ফেরানো হলেও নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি তাকে। বিশ্বকাপে জার্মানির অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইয়োশুয়া কিমিখ।
তবে দলে ফেরার পরও নয়্যারকে মূল একাদশের প্রধান গোলকিপার হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নাগেলসমান।
বিজ্ঞাপন
দল ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে জার্মান কোচ বলেন, নয়্যার এখনো দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড় এবং তার অভিজ্ঞতা দলের জন্য বাড়তি শক্তি যোগাবে।
তিনি আরও বলেন, মানুয়েল কী মানের খেলোয়াড়, সেটা সবাই জানে। মাঠে ও ড্রেসিংরুমে তার প্রভাব দলের জন্য অনেক বড় বিষয়। আমরা তাকে প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবেই ভাবছি।
এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘সি’-তে খেলবে জার্মানি। গ্রুপ পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে কুরাসাও, আইভরিকোস্ট ও ইকুয়েডর। মূল আসরের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ৩১ মে ফিনল্যান্ড এবং ৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে জার্মানরা।
বিজ্ঞাপন
বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত জার্মান স্কোয়াডে অভিজ্ঞ ও তরুণ খেলোয়াড়দের মিশ্রণ রাখা হয়েছে। গোলরক্ষক বিভাগে নয়্যারের সঙ্গে আছেন অলিভার বাউমান ও আলেকজান্ডার ন্যুবেল।
ডিফেন্ডারের জায়গা পেয়েছেন অ্যান্টোনিও রুডিগার, জোনাথন টাহ, নিকো শ্লটারবেক, ভালডেমার আন্টন, ডেভিড রাউম, মালিক থিয়াও ও নাথানিয়েল ব্রাউন।
বিজ্ঞাপন
মিডফিল্ডে থাকছেন ফেলিক্স এনমেচা, পাসকাল গ্রস, ফ্লোরিয়ান ভির্টৎস, জামাল মুসিয়ালা, লিয়ন গোরেৎসকা, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, লেনার্ট কার্ল, নাদিম আমিরি, ইয়োশুয়া কিমিখ, আলেকজান্ডার পাভলোভিচ ও জেমি লেভেলিং।
ফরোয়ার্ডে আছেন কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উনদাভ, লিরয় সানে, নিকোলাস ভোল্টেমাড ও মাক্সিমিলিয়ান বায়ার।
বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নয়্যারের প্রত্যাবর্তন জার্মান দলে নতুন আত্মবিশ্বাস যোগাবে বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বগুণের কারণে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তার উপস্থিতি জার্মানির জন্য বড় সুবিধা হয়ে উঠতে পারে।








