৯৪ করে রিজওয়ান আউট, জয়ের দ্বারপ্রান্তে টাইগাররা

পঞ্চম দিনের সকালে মোহাম্মদ রিজওয়ানের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে তার বিদায়ের পর জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে টাইগাররা। সাজিদ খানকে সঙ্গে নিয়ে অষ্টম উইকেটে ৫৪ রানের জুটি গড়েন রিজওয়ান। শেষ পর্যন্ত সেই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। ২৮ রান করা সাজিদ স্লিপে ক্যাচ দেন।
বিজ্ঞাপন
এর পরের ওভারেই বড় সাফল্য এনে দেন শরিফুল ইসলাম। সেঞ্চুরির খুব কাছে থাকা রিজওয়ান ৯৪ রান করে গালিতে মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে ধরা পড়েন। ১৬৬ বলের ইনিংসে তিনি ১০টি চার মারেন।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩৫৮ রান। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৭৯ রান, হাতে আছে মাত্র ১ উইকেট।
বিজ্ঞাপন
৪৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে পাকিস্তান। দিনের শুরুতে সফরকারীরা দ্রুত রান তুলতে থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে বাংলাদেশ।
চতুর্থ দিনের শেষ সেশনে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। ২২৪ বলে ১৩৪ রানের জুটি গড়ে তারা বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দেন। তবে দিনের শেষভাগে তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত স্পেলে সেই জুটি ভেঙে যায়।
তাইজুলের বলেই ৭১ রান করা সালমান আগা বোল্ড হন। এরপর হাসান আলিকে শূন্য রানে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
এর আগে পাকিস্তানের ইনিংসের শুরুতে নাহিদ রানার বলে ৬ রান করে আউট হন ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজল। অন্য ওপেনার আজান আওয়াইস ২১ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হন।
এরপর বাবর আজম ও অধিনায়ক শান মাসুদ তৃতীয় উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়ে দলের হাল ধরেন। বাবর ৪৭ রান করে তাইজুলের বলে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন।
বিজ্ঞাপন
নাহিদ রানা পরে ৬ রান করা সৌদ শাকিলকে ফিরিয়ে দেন। আর ৭১ রান করা শান মাসুদও তাইজুলের শিকার হন। শর্ট লেগে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
এর আগে মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান করে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের কঠিন লক্ষ্য দাঁড়ায়।








