প্রতিরোধ গড়া জুটি ভাঙলেন তাইজুল, জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চাপে থাকা পাকিস্তানকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল সালমান আলি আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের জুটি। তবে ১৩৪ রানের দীর্ঘ প্রতিরোধ গড়া সেই জুটি ভেঙে দেন তাইজুল ইসলাম।
বিজ্ঞাপন
২২৪ বলের এই জুটি থামান তিনি দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে সালমান আলি আগাকে বোল্ড করে। ৭১ রান করে ফিরেন আগা। এরপর ২৯৬ রানে পাকিস্তানের ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জয়ের জন্য তাদের আরও ১২১ রান দরকার, আর বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট।
বিজ্ঞাপন
এর আগে চতুর্থ দিনের শুরুতে দলীয় ২৭ রানে প্রথম ধাক্কা খায় পাকিস্তান। নাহিদ রানার বলে গালিতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজল (৬)। দারুণ ক্যাচ নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর আজান আওয়াইসও বেশি দূর যেতে পারেননি, ৪৯ বলে ২১ রান করে তিনি এলবিডব্লিউ হন মিরাজের বলে। ৪১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় সফরকারীরা।
দুই উইকেট হারানোর পর ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন বাবর আজম ও অধিনায়ক শান মাসুদ। দুজনের জুটি ৯০ রানের গণ্ডি পার করে পাকিস্তানকে কিছুটা স্বস্তি দেয়। তবে সেই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। ৪৭ রানে থাকা বাবর আজমকে লেগ স্টাম্পের বাইরে বের হওয়া বলে ব্যাটের কানা ছুঁয়ে লিটন দাসের গ্লাভসে জমা পড়ে আউট হন তিনি। ১৩৩ রানে তৃতীয় উইকেট পড়ে পাকিস্তানের।
এরপর আবারও আঘাত হানেন নাহিদ রানা। ৬ রানে থাকা সৌদ শাকিলকে ওয়াইডিশ ইয়র্কারে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। রিভিউ নিলেও সিদ্ধান্ত বদলায়নি, তৃতীয় আম্পায়ার আউট নিশ্চিত করলে ফেরেন শাকিল। ১৫৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় পাকিস্তান।
বিজ্ঞাপন
এরপর দ্রুতই ফেরেন অধিনায়ক শান মাসুদ। ৭১ রানে থাকা এই ব্যাটারকে শর্ট লেগে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ১৬২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় সফরকারীরা।
এর আগে তৃতীয় দিনের শেষে পাকিস্তান দুই ওভার খেললেও কোনো রান তুলতে পারেনি। মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ৩৯০ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৩৬ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা, ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রান।








