ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় ধস, ১৩১ রানে গুটিয়ে গেল টাইগাররা

নতুন অধিনায়ক ও নতুন প্রত্যাশা নিয়ে শুরু হলেও ব্যাট হাতে প্রত্যাশিত সূচনা করতে পারেনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। চট্টগ্রামে ভালো শুরু পেলেও তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় স্বাগতিকরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচের মাঝপথেই চাপে পড়ে দলটি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ হওয়ার আগেই অলআউট হয়ে ১৩১ রানে থামে বাংলাদেশ।
বিজ্ঞাপন
চট্টগ্রামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন তাওহীদ হৃদয়। ইনিংসের শুরুটা খারাপ না হলেও দ্রুতই ভেঙে যায় ওপেনিং জুটি। ২৬ রানের মাথায় ৯ বলে ১০ রান করে আউট হন এক ওপেনার।
এর দুই ওভার পর বিদায় নেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও ব্যর্থ এই ব্যাটার ১৪ বলে ২০ রান করে মিডঅফে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
বিজ্ঞাপন
ওপেনারদের পর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ছক্কা মেরে ইনিংস শুরু করলেও বেশি দূর যেতে পারেননি তিনি। অ্যাডাম জাম্পার গুগলিতে বোল্ড হয়ে ৮ রানে ফেরেন হৃদয়। একই বোলারের শিকার হন সৌম্য সরকারও, যিনি ১৮ বলে ১৭ রান করেন।
পাঁচ নম্বরে নেমে ইমনও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৭৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ১০০ রানের আগেই ইনিংস বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বাংলাদেশ।
বিজ্ঞাপন
এরপর শামীম পাটোয়ারীর বাজে শটে আরও চাপ বাড়ে। ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারায় দলটি। ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন অভিষিক্ত সাকলাইন, ছক্কা মেরে শুরু করলেও ১০ বলে ১০ রান করে বিদায় নেন তিনি। এরপর রিশাদ হোসেন ৩ রান করে ফিরে গেলে ১০০ রানের আগেই ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশ, ফলে বড় সংগ্রহ গড়ার আশা শেষ হয়ে যায়।








