Logo

রোনালদোকে কেন তুলে নেননি, যে ব্যাখ্যা দিলেন পর্তুগাল কোচ

profile picture
ক্রীড়া ডেস্ক
১৮ জুন, ২০২৬, ১৩:৫১
রোনালদোকে কেন তুলে নেননি, যে ব্যাখ্যা দিলেন পর্তুগাল কোচ
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শুরুটা আর্লিং হালান্ড, কিলিয়ান এমবাপে ও লিওনেল মেসির জন্য ছিল স্মরণীয়। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই তারা উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখিয়ে দলকে সাফল্য এনে দিয়েছেন। ফলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ভক্তদের প্রত্যাশাও ছিল আকাশছোঁয়া। তবে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

বিজ্ঞাপন

দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী পর্তুগালকে ১-১ গোলে রুখে দিয়েছে ডিআর কঙ্গো। ম্যাচজুড়ে নিষ্প্রভ ছিলেন রোনালদো। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকলেও গোলের উদ্দেশে একটি শটও নিতে পারেননি তিনি। ফলে পর্তুগালের আক্রমণভাগেও তার প্রভাব তেমন দেখা যায়নি।

রোনালদোর এমন পারফরম্যান্সের পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দ্বিতীয়ার্ধে তাকে বদলি করা উচিত ছিল কি না। তবে ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ। তার মতে, বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলদাতাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল না।

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর গোলখরা আরও দীর্ঘ হয়েছে। বিশ্বকাপ ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচে গোলের দেখা পাননি তিনি। এতে অনেকেই মনে করছেন, সময়ের সঙ্গে আগের ধার হারিয়েছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। তবে মার্তিনেজ এমন মূল্যায়নের সঙ্গে একমত নন।

রোনালদোকে পুরো ম্যাচ খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ক্রিশ্চিয়ানোকে তার বয়স দিয়ে বিচার করি না। সে কেমন অনুভব করছে এবং কতটা প্রস্তুত, সেটাই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যে দলে গোলের প্রয়োজন, সেখানে বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলদাতাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার কোনো মানে হয় না।’

৪১ বছর বয়সী রোনালদো পুরো ম্যাচ খেললেও জয় তুলে নিতে পারেনি পর্তুগাল। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে জোয়াও নেভাসের গোলে এগিয়ে যায় তারা। তবে প্রথমার্ধেই সমতায় ফেরে ডিআর কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে সেড্রিক বাকাম্বুর একটি শট পোস্টে না লাগলে ম্যাচটি হারতেও পারত পর্তুগিজরা।

বিজ্ঞাপন

তবে আসরের শুরুতেই পয়েন্ট হারানোকে বড় কোনো বিপর্যয় হিসেবে দেখছেন না মার্তিনেজ। অতীতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে এমন ঘটনা নতুন নয়। ২০২২ সালে সৌদি আরবের কাছে হেরে শুরু করেও আর্জেন্টিনা শিরোপা জিতেছিল। আবার ২০১০ সালে সুইজারল্যান্ডের কাছে পরাজিত হওয়ার পরও স্পেন বিশ্বকাপ জিতেছে। বিশ্বকাপ জয় একটি দীর্ঘ যাত্রা।’

ম্যাচ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে মার্তিনেজ বলেন, গোল করার পরই ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে তার দল। তার ভাষায়, ‘আমরা শুরুটা খুব ভালো করেছিলাম। বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল, সুযোগ তৈরি করেছি এবং গোলও পেয়েছি। সাধারণত এমন পরিস্থিতি দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু এবার ঠিক উল্টোটা হয়েছে। আমরা প্রতিপক্ষকে পাল্টা আক্রমণের সুযোগ দিয়েছি এবং নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দও ধরে রাখতে পারিনি।’

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD