মেসির ১৭তম বিশ্বকাপ গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা

ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করে হতাশায় পড়েছিলেন লিওনেল মেসি। এরপর আরও কয়েকটি ভালো সুযোগ পেয়েও গোলের দেখা পাননি। তবে শেষ পর্যন্ত অধিনায়কসুলভ পারফরম্যান্সে দারুণ এক গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
খেলার তৃতীয় মিনিটে আক্রমণে ওঠে আর্জেন্টিনা। ডি-বক্সে প্রবেশের সময় শ্লাগার ও পশের চ্যালেঞ্জে মাটিতে পড়ে যান লাউতারো মার্টিনেজ। প্রথমে রেফারি পেনাল্টি না দিলেও পরে ভিএআরের সাহায্যে ঘটনাটি পর্যালোচনা করেন। রিপ্লে দেখার পর আর্জেন্টিনার পক্ষে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন তিনি।
অষ্টম মিনিটে স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন মেসি। গোল করতে পারলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে এককভাবে উঠে যাওয়ার সুযোগ ছিল তার সামনে। কিন্তু আর্জেন্টাইন অধিনায়কের শট পোস্টের ডান পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়। গোলরক্ষক সঠিক দিক অনুমান করলেও তাকে কোনো সেভ করতে হয়নি।
২১ মিনিটে আবারও গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন মেসি। কাট-ইন করে বক্সে ঢোকার পর শট নেওয়ার মুহূর্তে আলাবা বল স্পর্শ করলে তা শ্লাগারের গায়ে লেগে বিপদমুক্ত হয়। ফলে সেই সুযোগও হাতছাড়া হয় আর্জেন্টিনার।
বিজ্ঞাপন
এরপর ৩৩ মিনিটে অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগের ভুল থেকে আরেকটি সম্ভাবনা তৈরি হয়। ফের্নান্দেসের উদ্দেশে বাড়ানো পাস কেটে দেন শ্লাগার। তবে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে সেটি চলে যায় মেসির পায়ে। সময় নষ্ট না করে সরাসরি শট নেন তিনি। গোলপোস্ট প্রায় ফাঁকা থাকলেও আলাবা গোললাইন বরাবর সঠিক অবস্থানে থেকে নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে দেন।
তবে ৩৯ মিনিটে আর ভুল করেননি মেসি। বাম দিক থেকে আক্রমণ গড়ে তোলার পর পেনাল্টি বক্সের প্রান্তে বল ফিরে পেয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে তা জালে পাঠান তিনি। নিচের বাম কোণ দিয়ে জড়িয়ে যায় বল।
এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১৭-তে নিয়ে যান মেসি। ফলে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে এককভাবে উঠে যান আর্জেন্টাইন মহাতারকা। একই সঙ্গে তার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।








