বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে আফ্রিকার দুই দল, এশিয়ার সব বিদায়

চলতি ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করায় সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছিল আফ্রিকা ও এশিয়া। দুই মহাদেশ থেকেই এবার রেকর্ডসংখ্যক দল বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়। তবে রাউন্ড অব ৩২ শেষে সেই সাফল্য ধরে রাখতে পারেনি তারা। শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে কেবল দুটি দল, আর দুটিই আফ্রিকার। এশিয়ার কোনো দলই টিকে থাকতে পারেনি।
বিজ্ঞাপন
এবারের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াসহ এশিয়া থেকে অংশ নেয় মোট নয়টি দল। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব, ইরান ও অস্ট্রেলিয়ার মতো পরিচিত দলগুলোর পাশাপাশি আরও কয়েকটি নতুন দলও ছিল। তবে নকআউট পর্ব শুরু হতেই একে একে বিদায় নেয় এশিয়ার প্রতিনিধিরা।
আরও পড়ুন: মুশফিকুর রহিমকেও কোচিংয়ে আনতে চায় বিসিবি
জাপান গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে রাউন্ড অব ৩২-এ উঠলেও ব্রাজিলের কাছে হেরে বিদায় নেয়। অন্যদিকে সন হিউং-মিনের দক্ষিণ কোরিয়া গ্রুপ পর্বই পেরোতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়াও শেষ ৩২-এ উঠেছিল, কিন্তু মিশরের কাছে হেরে তাদের যাত্রা শেষ হয়।
বিজ্ঞাপন
লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের দলগুলোর গতি, শারীরিক সক্ষমতা ও কৌশলগত ফুটবলের সামনে এশিয়ার দলগুলো প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। অভিজ্ঞতা বাড়লেও নকআউট পর্বের চাপ সামলানোর সক্ষমতায় ঘাটতি স্পষ্ট হয়েছে।
অন্যদিকে, আফ্রিকা থেকে এবার রেকর্ড ১০টি দল বিশ্বকাপে অংশ নেয়। কাতার বিশ্বকাপে মরক্কোর সেমিফাইনালে ওঠার সাফল্যের পর এবারও মহাদেশটির দলগুলোর কাছ থেকে বড় কিছু প্রত্যাশা ছিল। গ্রুপ পর্ব শেষে তিউনিসিয়া ছাড়া বাকি নয়টি দল রাউন্ড অব ৩২-এ উঠলেও শেষ পর্যন্ত কেবল মরক্কো ও মিশরই শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে পেরেছে।
কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো আবারও তাদের শক্তিশালী রক্ষণ ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণের ফুটবল দিয়ে নজর কেড়েছে। অন্যদিকে অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিকতার ওপর ভর করে টিকে আছে মিশরও।
বিজ্ঞাপন
এখন আফ্রিকার সব আশা মরক্কো ও মিশরকে ঘিরেই। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে মিশর। শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করতে তাদের খেলতে হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। অন্যদিকে কানাডাকে হারাতে পারলে মরক্কোর সামনে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা উজ্জ্বল।








