দুই গোল হজমের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ব্রাজিল

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ফিফা প্রীতি ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধের ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পেনাল্টি গোলে ব্যবধান বাড়িয়ে ৪-২ গোলে এগিয়ে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
বিজ্ঞাপন
টাউনসভিলে প্রথম লেগে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয় ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় ব্রাজিলকে। ম্যাচের মাত্র তৃতীয় মিনিটেই ভান্ডারসনের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় তারা।
একাধিক ওয়ান-টাচ পাসে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ ভেঙে ভান্ডারসনের কাছে বল পৌঁছে দেন ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা। এরপর দূরপাল্লার ডিপিং শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন ভান্ডারসন।
গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়লেও অস্ট্রেলিয়া দ্রুত ম্যাচে ফিরে আসে। ধীরে ধীরে বল দখল ও পাসিংয়ে নিয়ন্ত্রণ বাড়ায় স্বাগতিকরা। দুই প্রান্ত ব্যবহার করে ব্রাজিলের রক্ষণে নিয়মিত চাপ তৈরি করতে থাকে অস্ট্রেলিয়া।
বিজ্ঞাপন
২৮ মিনিটে সেই চাপ থেকেই সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। মেটকালফের বাঁকানো কর্নার থেকে পাওয়া বলে গোল করেন আলেসান্দ্রো সিরকাতি।
এর মাত্র পাঁচ মিনিট পর ব্রাজিলকে আরও বড় ধাক্কা দেন মেটকালফ। ৩৩ মিনিটে দারুণ পাসিং কম্বিনেশনের পর ব্রাজিলের রক্ষণে জায়গা তৈরি করে জোরালো শটে গোল করেন তিনি। ফলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে অবশ্য ম্যাচে আবারও সমতা ফেরায় ব্রাজিল। যোগ করা সময়ে ডি-বক্সের মধ্যে দানিলোকে ফাউল করেন হ্যারি সাউটার। রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দিলে স্পটকিক থেকে গোল করেন রাফিনহা। ২-২ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিজ্ঞাপন
দ্বিতীয়ার্ধে রাফিনহাকে তুলে এনদ্রিককে মাঠে নামান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। বদলি হিসেবে নেমেই আক্রমণে প্রভাব ফেলতে শুরু করেন তরুণ এই ফরোয়ার্ড।
৫৫ মিনিটে ব্রাজিল এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করেন এনদ্রিক। আজিজ বেহিচের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত এগিয়ে অস্ট্রেলিয়ার দুই সেন্টার-ব্যাকের সামনে দিয়ে বাঁ দিকে থাকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাছে বল বাড়িয়ে দেন তিনি।
বক্সের বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে ভিনিসিয়ুসও দারুণ দক্ষতায় জায়গা তৈরি করেন। নিজে শট না নিয়ে পেছন থেকে উঠে আসা সতীর্থকে বল বাড়িয়ে দেন। তার সেই নিচু ও জোরালো শট অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বাইরে চলে যায়।
বিজ্ঞাপন
৬৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় ব্রাজিল। মাঝমাঠ থেকে আসা দুর্দান্ত পাসে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ ভেঙে দেন এনদ্রিক। বক্সের বাঁ দিক থেকে তার কাট-ব্যাক পৌঁছে যায় ব্রুনো গিমারায়েসের কাছে। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে জোরালো শটে গোল করেন ব্রাজিলের অধিনায়ক।
এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৩৫ মিনিটে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। স্পটকিক থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার গোলে ব্রাজিলের লিড দাঁড়ায় ৪-২।
দুই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে এখন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল।








