তাইজুলের স্পিন ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ

ব্যাটিংয়ে ধস নামার পর বল হাতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। মাত্র ৫৯ রান যোগ করতেই প্রথম ইনিংসের বাকি ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭২ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪ উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন শেষে ৪ উইকেটে ১৩৪ রান করেছে ক্যারিবীয়রা। এখনও ১৩৮ রানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্টের দ্বিতীয় দিনেও বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতার কারণে বিঘ্নিত হয়েছে খেলা। দুইয়ের দফায় দফায় বাধায় নির্ধারিত সময়ের আগেই দিনের খেলা শেষ করতে হয়। ফলে প্রত্যাশিত সংখ্যক ওভারও খেলা সম্ভব হয়নি।
নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২৯ রানেই প্রথম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পঞ্চম ওভারে হাসান মাহমুদের ফিফথ স্টাম্পের বলে ব্যাট চালিয়ে উইকেটরক্ষক জাকের আলি অনিকের হাতে ক্যাচ দেন ব্রেন্ডন কিং। ১৫ রান করে ফেরেন এই ওপেনার।
দ্বিতীয় উইকেটে ত্যাজনারায়ণ চন্দরপলকে নিয়ে জুটি গড়েন জন ক্যাম্পবেল। চন্দরপল ধৈর্য ধরে ব্যাট করলেও আক্রমণাত্মক ছিলেন ক্যাম্পবেল। বিরতির আগ পর্যন্ত দলকে ভালো অবস্থানে রাখেন দুই ক্যারিবীয় ব্যাটার।
বিজ্ঞাপন
বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতায় তৃতীয় সেশনের খেলা শুরু হতে দেরি হয়। মাঠে ফিরে বাংলাদেশের বোলাররা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেন। ফিফটি করা ক্যাম্পবেলকে ৫৪ রানে ফিরিয়ে স্বস্তি এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এরপর স্পিনে ঝলক দেখান তাইজুল ইসলাম। ইনিংসের ৩৬তম ওভারে দ্বিতীয় বলে কাভেম হজকে এবং পঞ্চম বলে আমির জাঙ্গোকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ২০ বলে ৭ রান করেন হজ, আর কোনো রান না করেই বিদায় নেন জাঙ্গো।
এর আগে সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। মাত্র ৫৯ রান যোগ করতেই বাকি ৭ উইকেট হারায় দলটি। শেষ ১০ রানে পড়ে ৪ উইকেট।
বিজ্ঞাপন
টেস্টে নিজের তৃতীয় সেঞ্চুরি করা সাদমান সর্বোচ্চ ১০৫ রান করেন। তাওহীদ হৃদয় যোগ করেন ৪২ রান, আর চোট পাওয়া লিটন দাস ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২৭২ রানে থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ পাঁচ উইকেটের ইনিংস তুলে নেন। এ ছাড়া শামার জোসেফ ও জশুয়া বিশপ দুটি করে উইকেট শিকার করেন।








