Logo

শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়, ৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

profile picture
ক্রীড়া প্রতিবেদক
৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫:৩০
শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়, ৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ২৭ রানের লিড নিয়ে ইনিংস শুরু করা স্বাগতিকরা ৩৪ রান তুলতেই হারিয়েছে ৪ উইকেট। বৃষ্টির কারণে মিরপুরে আগেভাগেই চা বিরতি দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোস্টন চেজের প্রায় সোজা বলের লাইন মিস করে প্রথমে বোল্ড হন সাদমান ইসলাম। এক বল বিরতি দিয়ে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড-অনে ক্যাচ দেন তাওহীদ হৃদয়। জেইডেন সিলস সহজেই ক্যাচটি তালুবন্দী করেন।

একই ওভারে সাদমান ও হৃদয়কে ফেরানোর পর এক ওভার বিরতি দিয়ে আবার আঘাত হানেন চেজ। তাঁর গুড লেন্থের বলটি টার্ন না করে লেগ স্টাম্পের দিকে যায়। ডিফেন্ড করতে গিয়ে বলের লাইনে ব্যাট রাখতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। ক্যারিবীয়দের আবেদনে আম্পায়ার স্যাম নোগাজস্কি আঙুল তোলেন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি শান্ত। ৩৭ বলে ১০ রান করে ফেরেন তিনি।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটাও ছিল হতাশার। শামার জোসেফের লেগ স্টাম্পের ফুল লেন্থের বল ফ্লিক করতে গিয়ে গালিতে ক্যাচ দেন তানজিদ হাসান তামিম। আগের ইনিংসে ৭ রান করা এই ওপেনার এবার শূন্য রানে ফেরেন। দলীয় রান তখন মাত্র ১।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

এরপর শান্ত ও সাদমানের জুটিতে বাংলাদেশের লিড ৫০ ছাড়ায়। তবে ইনিংসের ১১তম ওভারে আবারও ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। ৩০ বলে ১৩ রান করে চেজের বলে বোল্ড হন আগের ইনিংসে সেঞ্চুরি করা সাদমান। পরের বল ডিফেন্ড করার পর ক্যারিবীয়দের চাপে ফেলতে বড় শট খেলতে যান হৃদয়। ব্যাটে-বলে সংযোগ না হওয়ায় মিড-অনে জোসেফের ক্যাচ হন তিনি। আগের ইনিংসে ৪২ রান করা হৃদয় এবার ফেরেন শূন্য রানে।

শান্ত ফেরার পর ফিল্ডিংয়ের সময় মাথায় আঘাত পাওয়া মুমিনুল হকের কানকাশন বদলি হিসেবে ব্যাট করতে নামেন জাকের আলি অনিক। দলের স্কোরে আর ১ রান যোগ হতেই বৃষ্টি নামে। ফলে আগেভাগেই চা বিরতি দেওয়া হয়।

এর আগে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪ উইকেটে ১৩৪ রান নিয়ে। তেজনারায়ণ চন্দরপল হাফসেঞ্চুরি করেন। ১৮৪ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে স্লিপে শান্তর ক্যাচ হন তিনি। এর আগে জাস্টিন গ্রিভসের সঙ্গে ৬৫ রানের জুটি গড়েন চন্দরপল।

বিজ্ঞাপন

গ্রিভসও একবার জীবন পেয়েছিলেন, মুমিনুল হক সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেওয়ায়। পরে নাঈম হাসানের অফস্পিনে এলবিডব্লিউ হয়ে ১০৩ বলে ২ চারে ৪৬ রান করে ফেরেন তিনি।

মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর বাংলাদেশের দুই অফস্পিনার বাকি চার উইকেট তুলে নেন। অভিষিক্ত ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার জশুয়া বিশপ নেমেই তিনটি চার মারলেও ১৫ রানে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্টাম্পিং হন। এরপর শামার জোসেফকে ৪ রানে লিটন দাসের ক্যাচ, জোমেল ওয়ারিকানকে শূন্য রানে এলবিডব্লিউ এবং জেইডেন সিলসকে শূন্য রানে মিরাজের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান নাঈম হাসান।

বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ৫০ উইকেটের মাইলফলক পূর্ণ করা নাঈম নিয়েছেন ৪ উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম পেয়েছেন ২টি করে উইকেট। হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম নিয়েছেন ১টি করে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD