গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের মৃত্যু

মাঠে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে মারা গেছেন স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব টেনেরিফের স্ট্রাইকার হেসুস দে মিগেল। মঙ্গলবার ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ক্লাবটি।
বিজ্ঞাপন
সোমবার রাতে এফসি আন্দোরার বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালে সংঘর্ষে আহত হন দে মিগেল। ২-২ গোলে সমতায় থাকা ম্যাচের যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে লম্বা বল ক্লিয়ার করতে বক্সের বাইরে বেরিয়ে আসেন আন্দোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওনো। এ সময় তার হাঁটুর আঘাত লাগে দে মিগেলের বুকে।
সংঘর্ষের পর মাঠে লুটিয়ে পড়েন টেনেরিফের এই স্ট্রাইকার। দুই দলের খেলোয়াড়েরা দ্রুত চিকিৎসাকর্মীদের ডাকেন। পাঁচ মিনিটের বেশি সময় মাঠে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যুর খবর জানায় টেনেরিফ।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এক বিবৃতিতে ক্লাবটি জানায়, ‘কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছি না। আমরা হেসুস দে মিগেল আলামেদার মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর জানাচ্ছি। এই শোক প্রশমনের কোনো ভাষা নেই।’
বিজ্ঞাপন
২০২৫ সালে কাস্তেয়ন থেকে টেনেরিফে যোগ দেন দে মিগেল। গত মৌসুমে ক্লাবটির হয়ে ১১টি গোল করেছিলেন তিনি।
তার মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে স্পেনের বিভিন্ন ফুটবল ক্লাব। দে মিগেলের পরিবার, সতীর্থ ও টেনেরিফের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদও।








