সংঘর্ষে যুবদল নেতার মৃত্যু গুজব, লাইভে এসে বললেন ‘আমি জীবিত’

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সম্প্রতি সংঘটিত বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম নিহত হওয়ার খবর। তবে এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।
বিজ্ঞাপন
সাইফুল ইসলাম ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, আমি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জিনিতি, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। কে বা কারা গুজব ছড়িয়েছে যে আমি মারা গেছি—এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। আলহামদুলিল্লাহ, আমি জীবিত ও সুস্থ আছি। আমি মারা যাইনি।
তিনি আরও সকলকে সতর্ক করে বলেন, আমার বিষয়ে এ ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না। দয়া করে কেউ গুজব ছড়াবেন না। আপনারা সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন।
বিজ্ঞাপন
ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা রিউমার স্ক্যানারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। তারা জানায়, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জামায়াতের হামলার শিকার যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম নিহত হয়েছে—এ ধরনের দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিভিন্ন ফেসবুক একাউন্ট থেকে এই মৃত্যুর খবর ছড়ানো হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী মানসুরা আক্তার এবং মেহেদী হাসান নামে একটি ভেরিফাইড ফেসবুক একাউন্ট থেকেও একই দাবি করা হয়।
বিজ্ঞাপন
শেরপুরে সংঘর্ষটি ঘটে বুধবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়াম ও বাজার এলাকায় প্রশাসনের আয়োজনে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ার নিয়ে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। এতে শ্রীবরদী জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম মারা যান এবং উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। রাত সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানোকে কেন্দ্র করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনাটি সতর্কবার্তার মতো প্রকাশ পেয়েছে। সাইফুল ইসলাম নিজেই লাইভে এসে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি সুস্থ এবং জীবিত আছেন।








