মিছিলে মুখরিত রংপুর: তারেক রহমানের জনসভা ঘিরে নেতাকর্মীদের ঢল

দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনে রংপুর শহর শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছে। দুপুর থেকে শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও পতাকা হাতে দলীয় নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে দিতে জনসভাস্থল কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে প্রবেশ করছেন।
বিজ্ঞাপন
নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ জনসভাস্থলে আসছেন। রংপুর ছাড়াও লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও থেকে বাস, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে নেতারা এখানে পৌঁছাচ্ছেন।
বিএনপি নেতারা জানান, ঐতিহাসিক রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে বিভাগীয় জনসভায় তারেক রহমান নেতাকর্মী ও ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
বিজ্ঞাপন
লালমনিরহাটের বড়বাড়ী এলাকা থেকে আসা ষাটোর্ধ্ব বিএনপি কর্মী নুরুল ইসলাম ও জুনায়েদ কবীর বলেন, “আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামল দেখেছি। এরপর বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে রাজনীতি করেছি। এখন তারেক রহমানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আনন্দিত।”
রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু বলেন, “তারেক রহমানকে বরণ করতে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। বিএনপির ঘাঁটিতে পরিণত রংপুরের মানুষ ধানের শীষের বিজয় উপহার দিতে পারবে ইনশাআল্লাহ।”
বিজ্ঞাপন
নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, রংপুরের জনসভায় তারেক রহমানের আগমন তাদের উজ্জীবিত করেছে। বিএনপি সরকার গঠনের পর রংপুরকে বৈষম্যমুক্ত করে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ সার্বিক উন্নয়নের দাবিও নেতারা তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করবেন।
জনসভায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও ব্যাপক সতর্কতা অবলম্বন করেছে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, জনসভাস্থল, বিভিন্ন সড়ক ও নগরীর প্রবেশমুখে পোশাকধারী ও সাদাপোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিএনপির চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার জানিয়েছেন, নির্বাচনি সফরের অংশ হিসেবে শুক্রবার রংপুরের জনসভাস্থলে যাওয়ার পথে তারেক রহমান পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর জাফরপাড়ায় শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর তিনি কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেবেন। রাতেই রংপুর থেকে বগুড়ায় চলে যাবেন, এবং পরদিন শনিবার সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে আরও দুই জনসভায় অংশ নেবেন।








