গায়ের জোরে হলেও বিএনপির রাজনীতি করে যাব: স্বতন্ত্র প্রার্থী

নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, ভোটের পরও বিএনপির রাজনীতি চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী–আটঘরিয়া) আসনের বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টু। তিনি বলেন, গায়ের জোরে হলেও বিএনপির রাজনীতি করে যাব।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঈশ্বরদী বাজারের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জাকারিয়া পিন্টু বলেন, তিনি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক এবং শুরু থেকেই নানা বাধা মোকাবিলা করেই দলীয় রাজনীতি করে আসছেন। প্রতিপক্ষ কখনোই তাকে স্বাভাবিকভাবে রাজনীতি করতে দেয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাধা উপেক্ষা করেই তিনি অতীতেও রাজনীতি করেছেন এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিষয়টি জানেন বলেও দাবি করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচনী প্রচারণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পিন্টু বলেন, নির্বাচনী এলাকায় যেখানেই তিনি গেছেন, সেখানেই ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার প্রতি উল্লেখযোগ্য আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ কারণে তিনি বিজয় নিয়ে আশাবাদী বলেও জানান।
তবে একই সঙ্গে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ধানের শীষের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব ও তার সমর্থকেরা ভোটারদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন। এসব বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করেছেন বলেও জানান।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুদ্দিন আহমেদ মালিথা। সভায় বক্তব্য দেন আটঘরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ফারুক আহমেদ খান, পাকশী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাকিউল ইসলাম তপন সরদার, দাশুরিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম কেনেডি মালিথাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: নির্বাচনের দুই দিন আগে ভোটকেন্দ্রে আগুন
উল্লেখ্য, পাবনা-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় জাকারিয়া পিন্টুকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি এর আগে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। অতীতে শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দি ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ৫ আগস্টের পর মুক্তি পান। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি।








