মৌলভীবাজার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র-এ অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

মৌলভীবাজার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-তে ভর্তি প্রক্রিয়া ঘিরে সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
বিজ্ঞাপন
অনলাইনে ভর্তি আবেদন করতে গিয়ে এক শ্রেণির অসাধু মধ্যস্বত্বভোগী কম্পিউটার ব্যবসায়ীরা চক্র গড়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, টিটিসিতে ভর্তি হতে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। সরকারের নির্ধারিত ভর্তি ফি ২০৪ টাকা হলেও বিভিন্ন কম্পিউটার দোকানে আবেদন করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এর চেয়ে দ্বিগুণ বা তারও বেশি অর্থ নেওয়া হচ্ছে। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে বিপাকে পড়ছেন।
ভুক্তভোগী কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বিদেশগামী প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে তারা ভর্তি হতে এসেছেন। অনলাইন আবেদন করতে গিয়ে কম্পিউটার দোকানে পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি জমা দিতে হয়েছে। একজন শিক্ষার্থী বলেন, “সরকারি ফি ২০৪ টাকা হলেও আমার কাছ থেকে ৩৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে। অন্যদের কাছ থেকে ৯০০ থেকে ১২০০ টাকাও নেওয়া হয়েছে।”
বিজ্ঞাপন
অভিযোগ রয়েছে, আবেদন ফরম পূরণের নামে একটি সংঘবদ্ধ চক্র অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। শুরুতেই যদি অনিয়ম হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে—এমন প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। কারিগরি শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনের নজরদারি জোরদারের দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা ক্যামেরার সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
টিটিসির অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভর্তি কার্যক্রম সম্পূর্ণ অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাইরে কম্পিউটার দোকানে কেউ অতিরিক্ত অর্থ নিলে সেটি প্রতিষ্ঠানের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে নেই। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা।








