Logo

খালেদা আলমকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

profile picture
উপজেলা প্রতিনিধি
শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ
২ মার্চ, ২০২৬, ১৩:৪৬
খালেদা আলমকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী
ফাইল ছবি।

খালেদা আলম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির এক ভরসার নাম।বিগত সতেরো বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসনামলেও দলীয় কর্মীদের নির্ভরতা বিশ্বাসে আগলে রেখেছেন। তিনি ঢাকা-৪ আসনে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত নারী আসনে ৫২, ৫৩ ও ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে টানা তিনবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।

বিজ্ঞাপন

দীর্ঘদিনের প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশেও যখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি অনেক স্থানে স্বাভাবিকভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছিল না, ঠিক সেই সময় দলীয় অনুমতি নিয়ে এলাকায় গণমানুষের আস্থা ও ভালোবাসাকে পুঁজি করে উঠে আসেন খালেদা আলম।তিনি ঢাকা-৪ আসনপর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত নারী আসনে ৫২, ৫৩ ও ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে টানা তিনবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।

একজন সাধারণ নারী থেকে জননেত্রী হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে তার শিক্ষা, মেধা, পরিশ্রম ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। দায়িত্ব পালনকালে তিনি শুধু সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, নিজের আচরণ, কর্মনিষ্ঠা ও সেবামূলক মানসিকতার মাধ্যমে হয়ে উঠেছেন “জনগণের কাউন্সিলর”।

বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসীর ভাষ্য, জনসেবা ও নাগরিক সেবার নিশ্চয়তা চাইলে খালেদা আলমের কাছে গেলে খালি হাতে ফিরতে হয় না। তার দরজা সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সমানভাবে খোলা। ধনী-গরিব, দল-মত নির্বিশেষে সবার কথা তিনি শোনেন এবং সাধ্যের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করেন।

৫২ নম্বর ওয়ার্ডের রিকশাচালক আলাল (৫৭) বলেন, খালেদা আলমের কাছে গেলে কোনো ভেদাভেদ নেই। কয়েকবার কাজে গিয়েছি, বসিয়ে চা-বিস্কুট খাইয়ে সম্মান দিয়ে কাজ করে দিয়েছেন। অন্য জায়গায় গেলে নানা অজুহাতে টাকা লাগে, কিন্তু তার কাছে সেবা পেতে টাকা লাগে না।

৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পারভীন সুলতানা বলেন, তার জনপ্রিয়তা বোঝা যায় বিগত দিনের সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের ফলাফলেই। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়েও তাদের প্রার্থী খালেদা আলমের কাছে পরাজিত হয়েছে। পরপর তিনবার তিনি ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

মুরাদপুর হাইস্কুলের শিক্ষক হুমায়ুন আহমেদ বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও খালেদা আলম তার মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে টানা তিনবার সর্বাধিক ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকা-৪ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। আমরা শিক্ষক সমাজ চাই, তিনি সংসদে গিয়ে আমাদের এলাকার প্রতিনিধিত্ব করুন।

কদমতলী থানার দোলাইপাড় এলাকার সাবেক বে-সরকারী কর্মকর্তা ও বয়োজ্যেষ্ঠ আমিনুল হক (৮০) বলেন, রাজধানী ঢাকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশমুখ- ঢাকা-৪ (জুরাইন-পোস্তগোলা) এবং ঢাকা-৫ (যাত্রাবাড়ী)- এলাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের বিজয় বিএনপির জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বর্তমানে এই এলাকাগুলো কার্যত রাজনৈতিকভাবে শূন্য অবস্থায় রয়েছে তাই আমরা চাই দলের দুঃসময়েও যিনি দলের কর্মী ও তার তিনটি ওয়ার্ডের জনগনের পাশে ছিলেন এবং আগামীতেও যাতে তাকে কাছে পাই।এলাকার মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন মনোনয়ন দেওয়া হোক।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD