জীবননগরে জামায়াত নেতার হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বাকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মফিজুর রহমান হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। এ সময় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি জীবননগর জামায়াত কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামে জামায়াত সমর্থক সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ এলাকার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মেহেদির মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে জামায়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এতে জামায়াতের চারজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন।
বিজ্ঞাপন
আহতদের মধ্যে হাফিজুর রহমানকে ঢাকায় নেওয়ার পর সেদিন রাতেই তিনি মারা যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে তার ছোট ভাই বাকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা মফিজুর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে মারা যান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জীবননগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, সেক্রেটারি মাহফুজ হোসেন ও নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর বিভিন্ন মামলা ও দমন-পীড়নের মুখে নেতাকর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারেননি, কিন্তু এভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেনি। আমরা অবিলম্বে মফিজুর রহমান ও হাফিজুর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করছি।
বিজ্ঞাপন
নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার না করা হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। প্রয়োজনে ইউএনও কার্যালয় ও থানা ঘেরাও করা হবে।
সমাবেশ চলাকালে প্রায় ৩০ মিনিট জীবননগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান।
বিজ্ঞাপন








