একদিনে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা

ঈদযাত্রার তৃতীয় দিনে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতু এলাকায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় মাঝেমধ্যে গাড়ির সারি তৈরি হলেও বড় ধরনের যানজট হয়নি।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকে পদ্মা সেতুর উত্তর টোল প্লাজায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে মোট ৪১ হাজার ৮৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ৫০ টাকা।
ঈদকে কেন্দ্র করে গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও পিকআপ-ট্রাকেও মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছেন। সেতুর ১০টি বুথে নির্ধারিত টোল পরিশোধের মাধ্যমে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। চাপ থাকলেও স্বাভাবিক ব্যবস্থাপনার কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীদের বড় কোনো ভোগান্তি হয়নি।
বিজ্ঞাপন
তবে যাত্রীদের অভিযোগ, চাহিদা বাড়ার সুযোগে বিভিন্ন পরিবহন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। অনেককে উত্তর থানা মোড় এলাকায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলেও জানান তারা।
পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১ হাজার ৮৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ৫০ টাকা। মাওয়া প্রান্তে ১০টি এবং জাজিরা প্রান্তে ৯টি বুথ ২৪ ঘণ্টা চালু থাকায় দ্রুত টোল আদায় সম্ভব হচ্ছে। ফলে যানবাহনের চাপ থাকলেও দীর্ঘ সারি তৈরি হয়নি।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে টোল প্লাজার সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে দ্রুতগতিতে টোল আদায় করা হচ্ছে এবং মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা লেনসহ মোট ১০টি লেনে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর থানা এলাকায় একটি ‘বাস বে’ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে একসঙ্গে একাধিক বাস দাঁড়াতে পারায় টোলপ্লাজার মুখে চাপ কমছে।
বিজ্ঞাপন
হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকেও বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর হাসাড়া হাইওয়ে থানার ওসি। তার তথ্য অনুযায়ী, মহাসড়কে দুটি মোবাইল টিম ও চারটি পেট্রোল টিমসহ মোট ছয়টি ইউনিট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। ফলে এক্সপ্রেসওয়ের পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার জানান, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ থাকলেও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণে যানবাহনগুলো দ্রুত টোল প্রদান করে গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে।








