Logo

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
চাঁদপুর
২০ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৪
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফসহ জেলার অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসা মাঠে আরেকটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইমামতি করেন পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী।

দরবার শরীফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী জানান, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সময়ের ব্যবধান রেখেই রোজা ও দুই ঈদ উদযাপন করে আসছেন। শুরুতে অংশগ্রহণকারী কম থাকলেও বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় এভাবে ঈদ পালনের প্রচলন বিস্তৃত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মুসল্লি ইয়াহিয়া চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন দেশের চাঁদ দেখার তথ্য যাচাই-বাছাই করে তারা সিদ্ধান্ত নেন। সন্দেহ থাকলে তারা তা গ্রহণ করেন না। এ কারণে রমজানের ৩০ দিন পূর্ণ করে শুক্রবার ঈদ উদযাপন করা হচ্ছে।

এদিকে আগাম ঈদ উদযাপন করা গ্রামগুলোর মধ্যে হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব ও কচুয়া উপজেলার বেশ কিছু এলাকা রয়েছে।

তবে চলতি বছর ভিন্ন চিত্রও দেখা গেছে। হাজীগঞ্জের সাদ্রা গ্রামে বৃহস্পতিবার মাত্র সাতজন মুসল্লি নিয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন দরবার শরীফের পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.)–এর অনুসারীরা। ওই জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে তারা ঈদ পালন করেন। তার মতে, চাঁদ যেহেতু সবার জন্য এক, তাই ঈদও একই দিনে হওয়া উচিত।

জানা গেছে, ১৯২৮ সালে সাদ্রা দরবার শরীফের পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) এই প্রথার সূচনা করেন। এরপর থেকে তার অনুসারীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে একইভাবে রোজা ও ঈদ উদযাপন করে আসছেন।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD