পুকুরে বিষাক্ত ন্যাপথলিন, লাখ টাকা ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা চাষি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় একটি পুকুরে বিষাক্ত ন্যাপথলিন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে মাছ বিক্রির প্রস্তুতির সময় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন লিজগ্রহীতা। রবিবার (২২ মার্চ) সকালে উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের খাগা উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
লিজগ্রহীতা পরিতোষ সরকার পরিমল জানান, প্রায় দেড় বিঘা পুকুরটি তিন বছর আগে লিজ নেন তিনি। এতে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মাছের পোনা ছাড়া হয়েছিল। মাছ বড় করতে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার খাদ্যও দেওয়া হয়। ঈদের পর মাছ বিক্রির উদ্দেশ্যে রোববার পুকুরে জেলে নামানো হলে মাছের পরিবর্তে পানিতে ন্যাপথলিনের উপস্থিতি টের পান তাঁরা।
জেলেদের ভাষ্য, ন্যাপথলিন একটি বিষাক্ত পদার্থ। এর প্রভাবে মাছের পেটের সমস্যা, শ্বাসকষ্ট ও বমি ভাব দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে মাছ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পানির পরিবেশ নষ্ট হলে মাছ অন্যত্র সরে যেতে পারে।
বিজ্ঞাপন
পুকুরের মালিক মোতালেব সরকার বলেন, পাশের একটি পুকুরের মালিকদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তাঁদের ধারণা, বিরোধের জের ধরেই কেউ এ ধরনের কাজ করে থাকতে পারে।
স্থানীয় জেলে বিশ্বনাথ ও গৌরাঙ্গ কুমার বলেন, পানিতে অস্বাভাবিক গন্ধ ও পরিবর্তন দেখে প্রথমে সন্দেহ হয়। পরে জাল টেনে নিশ্চিত হওয়া যায়, পুকুরে ন্যাপথলিন দেওয়া হয়েছে। এতে মাছের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। মাছ পাশের পুকুরে বের হয়ে গেছে।
বিজ্ঞাপন
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. মঈনুদ্দীন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








