পদ্মায় বাসডুবি : ২৩ মরদেহ উদ্ধার, স্বজনদের কাছে হস্তান্তর ২১

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত নারী ও শিশুসহ ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জনের পরিচয় শনাক্তের পর তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসন।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জেলা প্রশাসন সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। নিহতদের মধ্যে ৯ জন শিশু রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রেহেনা আক্তার (৬১), আহনাফ তাহমিদ খান (২৫), সোহা আক্তার (১১), জহুরা অন্তি (২৭), কাজী সাইফ (৩০), তাজবিদ (৭), লিমা আক্তার (২৬), সাবিত হাসান (৮), জোস্ন্যা (৩৫), মর্জিনা আক্তার (৩২), সাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২), ফাইজ শাহানূর (১১), নাজমিরা জেসমিন (৩০), আব্দুর রহমান (৬), আরমান খান (৩১), মর্জিনা খাতুন (৫৬), রাজীব বিশ্বাস (২৮), ইস্রাফিল (৩), আয়েশা সিদ্দিকা (১৩), আরমান (৭ মাস), মুক্তা খানম (৩৮), নাছিমা (৪০) ও আয়েশা আক্তার সুমা (৩০)।
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা বাসটি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এতে বাসটি দ্রুত পানিতে তলিয়ে যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় ১০-১২ জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে অনেকেই নিখোঁজ থেকে যান। বাসটিতে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যারা ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছিলেন।
খবর পেয়ে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’, নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। রাতভর অভিযান চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার অব্যাহত রাখা হয়।
বিজ্ঞাপন
বর্তমানে নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।








