Logo

জ্বালানি সংকটে স্থবির মোংলা বন্দর

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
বাগেরহাট
২ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯:০৮
জ্বালানি সংকটে স্থবির মোংলা বন্দর
ছবি: সংগৃহীত

মোংলা বন্দরে জ্বালানি তেলের ঘাটতির কারণে পণ্য খালাস ও পরিবহন কার্যক্রম বন্ধের প্রায় অবস্থা দেখা দিয়েছে। এতে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। অধিকাংশ লাইটার জাহাজ তেলের অভাবে দীর্ঘ সময় নোঙ্গর করে থাকায় মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রিতা সৃষ্টি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জ্বালানি ঘাটতি ও লাইটারের সংকটের কারণে পণ্য খালাস ব্যাহত হওয়ায় জাহাজের টার্ন-অ্যারাউন্ড টাইম বেড়েছে। আমদানিকারকরা বিলম্ব ও জরিমানা সহ অতিরিক্ত খরচ বহন করছেন। খাদ্যশস্য, সার ও শিল্প কলকারখানার কাঁচামাল খালাসে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় শিল্প উৎপাদনে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

পশুর নদী ও খুলনার রুপসা সহ চার ও পাঁচ নম্বর ঘাটে শত শত খালি লাইটার দীর্ঘদিন নোঙ্গর অবস্থায় রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এম.ভি. আর-রশিদ-০১ লাইটারের মাস্টার মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম জানান, জ্বালানি তেল না পাওয়ায় এক সপ্তাহ পণ্য বোঝাই করতে পারেননি।

সেভেন সার্কেল সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর কর্মকর্তা মো. মামুন বলেন, লাইটার সংকটের কারণে সিমেন্টের কাঁচামাল সময়মতো খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিন ১৭ হাজার ডলার বিলম্ব মাশুল দিতে হচ্ছে, ফলে কলকারখানায় কাঁচামালের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

শেখ সিমেন্টের এজিএম আজাদুল হক জানান, তেলের অভাবে কারখানায় ক্লিংকার আনতে পারছেন না, ফলে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

লাইটার মালিক মো. খোকন বলেন, বাজারে তেল সরবরাহের নির্দেশ থাকলেও ডিপো থেকে পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় পণ্য বোঝাই সম্ভব হচ্ছে না।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের মোংলা মেরিন ডিলার ও এজেন্ট এইচ. এম. দুলাল বলেন, বন্দরে জাহাজ আগমন বৃদ্ধির কারণে তেলের চাহিদা বেড়েছে, কিন্তু ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার (অপারেশন) প্রকৌশলী প্রবীর হীরা জানান, তেলের সরবরাহের চেষ্টা চলছে। তবে সীমিত প্রাপ্যতার কারণে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিতরণ করা হচ্ছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD