বাঞ্ছারামপুরে মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়তে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মাদক, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এ সভার আয়োজন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম ভিপি মুসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইয়াসিন মিয়া।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে একেএম ভিপি মুসা বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি আমাদের সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একটি সুন্দর ও নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর গড়তে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে জনগণের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা চাই, আমাদের আগামী প্রজন্ম একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত পরিবেশে বড় হোক।
বিজ্ঞাপন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসি মো. ইয়াসিন মিয়া বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি আপনাদেরও এগিয়ে আসতে হবে। আমরা কোনো নেতার প্রভাব বা সুপারিশ গ্রহণ করবো না। বাঞ্ছারামপুর আমার স্থায়ী ঠিকানা নয়, আমি এখানে দায়িত্ব পালন করতে এসেছি—ব্যবসা করতে নয়। আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমরা অবশ্যই একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।
তিনি আরও বলেন, বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা সবসময় জনগণের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক সাঈদ খান, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাইবুর হাসান মাসুম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুব হাসান,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন বাসু, লুৎফুর রহমান লাতু, সাবেক কাউন্সিলর ওয়াহিদুজ্জামান, বিএনপি নেতা মীর মোশাররফ হোসেন বকুল, বিপুলসংখ্যক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকটে স্থবির মোংলা বন্দর
সভায় বক্তারা বলেন, মাদক, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি। এসব অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে প্রশাসন ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
তারা আরও জানান, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও কঠোর আইন প্রয়োগ জরুরি। এ লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
এছাড়াও ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাতে পুলিশি টহলের পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোগে নজরদারি জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।








