Logo

কোরবানির আগে কাঠপট্টিতে খাটিয়ার জমজমাট বেচা-কেনা

profile picture
উপজেলা প্রতিনিধি
নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
২৫ মে, ২০২৬, ১১:৪০
কোরবানির আগে কাঠপট্টিতে খাটিয়ার জমজমাট বেচা-কেনা
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে খাটিয়া বিক্রির বাজার। কোরবানির পশুর মাংস ও হাড় কাটার কাজে ব্যবহৃত কাঠের তৈরি এই খাটিয়ার চাহিদা প্রতি বছরের মতো এবারও বেড়েছে কয়েকগুণ। স্থানীয়ভাবে অনেকে একে “গাছের গুঁড়ি” বলেও চেনে।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (২৪ মে) দুপুরে নবীনগর সদর বাজার ও বাঙ্গরা বাজারের কাঠপট্টি ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা দোকানের সামনে সারি সারি করে বিভিন্ন আকারের খাটিয়া সাজিয়ে রেখেছেন। ক্রেতারাও ভিড় করছেন প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে। কোরবানির পশু কেনার পর এখন শেষ মুহূর্তে দা, ছুরি, টাশকাল, বাঁশ বা হুগলার পাটি এবং খাটিয়া কিনতেই বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অনেকে।

ব্যবসায়ীরা জানান, খাটিয়া তৈরিতে তেঁতুল গাছের কাঠ সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। কারণ এই কাঠ শক্ত হওয়ায় দা-ছুরির আঘাত সহজে সহ্য করতে পারে এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার উপযোগী থাকে। সারা বছর কিছু বিক্রি হলেও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করেই মূলত এর চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

নবীনগরের কাঠ ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম জানান, সাধারণ মানের প্রতিটি খাটিয়া ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় খাটিয়াগুলোর দাম ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। কোরবানির সময় এগুলোর চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। শেষ মুহূর্তে এবারও ভালো বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পশুর মাংস কাটার কাজে খাটিয়া খুবই প্রয়োজনীয়। বিশেষ করে কসাইদের কাছে এর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ঈদের সময় এই খাটিয়া বিক্রি করেই অনেক ব্যবসায়ী ভালো আয় করেন।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়রা জানান, ঈদুল আজহার সময় সাধারণ পরিবারের পাশাপাশি পেশাদার কসাইরাও উন্নত মানের বড় খাটিয়া কিনে থাকেন। এসব খাটিয়ার মান ভালো হওয়ায় দামও তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD