এখনও উদ্ধার হয়নি ২৩ গরুসহ ভেসে যাওয়া নিখোঁজ ব্যাপারী

মুন্সীগঞ্জের পদ্মা নদীতে গরুবাহী ট্রলার ডুবে নিখোঁজ হওয়া এক গরু ব্যবসায়ীর সন্ধানে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। তবে নদীর তীব্র স্রোত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৫ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন এলাকা থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া একটি গরুবাহী ট্রলার পদ্মা সেতুর ১৫ নম্বর পিলারের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে নদীতে ডুবে যায়।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি কার্যক্রম চালাচ্ছেন। উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রবল স্রোতের কারণে নিখোঁজ ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিজ্ঞাপন
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক শফিকুর রহমান বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পরিস্থিতি প্রতিকূল হলেও অনুসন্ধান বন্ধ করা হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান না মিলবে, ততক্ষণ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
দুর্ঘটনাকবলিত ট্রলারটিতে মাঝিসহ মোট ১৬ জন এবং ২৮টি গরু ছিল বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর পাঁচটি গরু সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও বাকি ২৩টি গরু নদীর স্রোতে ভেসে যায়।
এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা অধিকাংশ যাত্রী প্রাণে রক্ষা পেলেও আইয়ুব আলী নামে এক গরু ব্যবসায়ী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যরা সাঁতরে নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের কারণে পদ্মা নদীতে স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে। এর ফলে নদীপথে চলাচলকারী ছোট নৌযান ও ট্রলারগুলো ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। দুর্ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির স্বজনরা নদীর তীরে অবস্থান করছেন এবং উদ্ধারের অপেক্ষায় রয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।








