বগুড়ার শেরপুরে লাচ্চা সেমাই কারখানায় আগুন, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১০ লাখ টাকা

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর রনোবিরবালা এলাকায় অবস্থিত আনন্দ লাচ্চা সেমাই ও নাহিদ এন্ড নাইম ফুড প্রোডাক্ট কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
বিজ্ঞাপন
এতে কারখানার কাঁচামাল, উৎপাদিত পণ্য ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি পুড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মালিকপক্ষ। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (২৭ মে) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ কারখানার ভেতর থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা বের হতে দেখে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয়দের সহযোগিতা ও ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ থাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হয় বলে জানা গেছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষের ধারণা, মজুত রাখা তেল থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের উৎপত্তি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও কারখানার পাশেই নদী থাকায় পানি সংগ্রহে সুবিধা হয়। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের তেমন বেগ পেতে হয়নি।
বিজ্ঞাপন
কারখানার এক স্বজন বলেন, “ভোরে আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে আসে। সবাই মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।”
স্থানীয়রা আরও জানান, ঈদ উপলক্ষে কারখানাটিতে লাচ্চা সেমাই উৎপাদন বাড়ানো হয়েছিল এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব পণ্য সরবরাহ করা হতো।
বিজ্ঞাপন
শেরপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনটি লাইনে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।








