তারাগঞ্জে শিশু সানজিদা হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন যুবক আটক

রংপুরের তারাগঞ্জে আলোচিত ৯ বছরের শিশু সানজিদা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে মুজাহিদ ইসলাম (১৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর কোরানিপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত মুজাহিদ ইসলাম ওই এলাকার সেকেন্দার আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে ভীমপুর কোরানিপাড়া গ্রামের কৃষক সাইদুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী সানজিদা আক্তার (৯) নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি ও এলাকায় মাইকিং করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
বিজ্ঞাপন
পরদিন শনিবার (২০ জুন) সকালে ডালিয়া সেচ ক্যানেলের পাশের একটি পাটখেত থেকে সানজিদার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের চোখ উপড়ানো ছিল বলে স্থানীয়রা জানান। প্রাথমিকভাবে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় গত রোববার (২১ জুন) নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে মাঠে নামে পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে তারাগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ভীমপুর কোরানিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে মুজাহিদ ইসলামকে আটক করে।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আলোচিত এই শিশু হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে মুজাহিদ ইসলামকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে তাকে থানা হেফাজতে রেখে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।








