কোম্পানীগঞ্জে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ১০

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্থানীয় বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১ আগস্ট) এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনায় কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সিরাজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দিনার দোকান এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে আহতদের মধ্যে আটজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- স্থানীয় যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন (৩২), রিপন মিয়া (২৭), ফারুক (২৭), সিরাজপুর ৮ নং ওয়ার্ডের ছাত্রশিবির সভাপতি ওসমান (২৪), সেক্রেটারি রিফাত (২৫), তামজিদ (২১), মুজাহিদ (২২), শিহাব (২০)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউনিয়ন জামায়াত আমীর আবুল হাসেমের ছেলে মুজাহিদ ছাত্রদলের এক কর্মীকে সিরাজপুর পিএল একাডেমী মাঠে নিয়ে মারধর করে। পরে ছাত্রদল কর্মীরা শিবিরের এক কর্মীকে মারধর করার খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে স্থানীয় বিএনপির অফিস ভাঙচুর করে জামায়াত ও শিবির কর্মীরা।
বিজ্ঞাপন
কোম্পানীঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আফতাব আহমেদ বাচ্চু জানান, শিবিরের ছেলেরা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের তিন-চারজন কর্মীকে পিটিয়ে আহত করে। এর মধ্যে ফারুক নামের একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহতরা বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অন্যদিকে সিরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল হাসেমের দাবি, পিএল একাডেমি স্কুলের দুই দলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট তুচ্ছ বিরোধের জেরে বিএনপির লোকজন তাদের কর্মীরা চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় অতর্কিত হামলা চালান। এতে তামজিদ, মুজাহিদ, শিহাব ও রিফাত আহত হন। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








