১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙলো জনতা

পাবনায় ১০ বছরের শিশু কামরুন্নাহার কলি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে উত্তেজিত গ্রামবাসী।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ও শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে দুই দফায় পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলুনিয়াসহ আশপাশের গ্রামের লোকজন একত্র হয়ে মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়ির বিভিন্ন অংশে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে আগে থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে গ্রামবাসীর তুলনায় পুলিশের সংখ্যা কম থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে হামলা ঠেকানো সম্ভব হয়নি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় শিশু শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।
নিখোঁজের সাত দিন পর বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে কুলুনিয়া গ্রামে কলিদের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
এ ঘটনায় নিহত শিশুটির প্রতিবেশী মোস্তফা প্রামাণিক ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, ঘটনার দিন হত্যার আগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মোস্তফার মুদি দোকানের পেছনের একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে কলিকে জোর করে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটিকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।








