Logo

শাল্লার সীমান্ত তালুকদার জেলা পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক’ মনোনীত

profile picture
উপজেলা প্রতিনিধি
শাল্লা, সুনামগঞ্জ
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৩:৪৩
শাল্লার সীমান্ত তালুকদার জেলা পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক’ মনোনীত
ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার সহকারী শিক্ষক সীমান্ত তালুকদার জেলা পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। এর আগে তিনি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হন। ধারাবাহিকভাবে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে দুটি স্বীকৃতি পাওয়ায় শাল্লার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, সুনামগঞ্জের ২১ সেপ্টেম্বর এক চিঠিতে সীমান্ত তালুকদারের জেলা পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে মনোনয়নের বিষয়টি জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসক, সুনামগঞ্জের সঙ্গে পরামর্শক্রমে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রাপ্ত তালিকাভুক্ত শিক্ষকদের মধ্য থেকে জেলা পর্যায়ে ৩৩ জন শিক্ষককে ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

মনোনীত শিক্ষকদের তালিকায় সীমান্ত তালুকদারের নাম রয়েছে। তিনি শাল্লা উপজেলার শান্তিপুর ইসলামিয়া মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

এর আগে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হয়ে শিক্ষকতা ক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা, নিষ্ঠা ও অবদানের স্বীকৃতি পান সীমান্ত তালুকদার। এবার জেলা পর্যায়েও ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে মনোনীত হওয়ায় তাঁর শিক্ষকতা জীবনের অর্জনে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাস স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে মনোনীত ৩৩ জন শিক্ষকের পূর্ণাঙ্গ তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সীমান্ত তালুকদারের জেলা পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে মনোনীত হওয়ার খবরে শাল্লার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার পর জেলা পর্যায়েও এ স্বীকৃতি পাওয়া শাল্লার শিক্ষা অঙ্গনের জন্য গর্বের বিষয়।

নিজের এই অর্জনের প্রতিক্রিয়ায় সীমান্ত তালুকদার বলেন, আমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক। আমার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এর আগে শাল্লা উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলাম। আর এখন জেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষকের তালিকায় স্থান পেয়েছি—এটি আমার জন্য নিঃসন্দেহে বড় আশীর্বাদ ও আনন্দের বিষয়।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, স্বীকৃতি কেবল একটি সম্মাননা নয়; এটি একজন মানুষকে আরও ভালোভাবে কাজ করার, আরও দায়িত্বশীল হওয়ার এবং নিজের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার অনুপ্রেরণা দেয়। এই পথচলায় যাঁরা আমাকে সবসময় উৎসাহ, সাহস ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

সীমান্ত তালুকদার আরও বলেন, এই সম্মাননা আমার একার নয়। এর সঙ্গে আমার পরিবারের ভালোবাসা, সহকর্মীদের সহযোগিতা এবং শাল্লাবাসীর অকুণ্ঠ সমর্থন জড়িয়ে আছে। তাই এই সম্মাননা আমি আমার পরিবার ও প্রিয় শাল্লাবাসীর প্রতি উৎসর্গ করছি।

তিনি সবার কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করে বলেন, ভবিষ্যতেও যেন নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যেতে পারি।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD