স্কুলে গিয়ে আর ফেরেনি মরিয়ম, তিনদিন পর মিলল মাটিচাপা লাশ

জামালপুরের মাদারগঞ্জে নিখোঁজের তিনদিন পর প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম বুশরা (৭) এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিদ্যালয়সংলগ্ন একটি বসতঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ঘরমালিক জামিনুর ইসলাম (৩২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানায়, উপজেলার চরলোটাবর এলাকায় জামিনুর ইসলামের বসতঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা অবস্থায় মরিয়মের লাশ উদ্ধার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে। এ সময় ঘরমালিক জামিনুরকে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
নিহত মরিয়ম সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিদিনের মতো সিধুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায় মরিয়ম বুশরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা সবুজা বেগম। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে মেয়ের বিষয়ে জানতে চাইলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
বিজ্ঞাপন
মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে ওইদিনই মাদারগঞ্জ থানায় নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন মরিয়মের মা।
এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে বিদ্যালয়সংলগ্ন জামিনুর ইসলামের ঘরে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা অবস্থায় মরিয়মের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ঘরমালিক জামিনুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় জানান, হত্যার পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিশুটির লাশ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরিয়মের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার জামিনুরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন








