ট্রলার ডুবিতে স্ত্রী-কন্যা হারানো শংকর বেপারীর পাশে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

পিরোজপুরের নেছারাবাদে কালিগঙ্গা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় স্ত্রী ও মেয়েকে হারানো শংকর বেপারীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এমপি। উপজেলা প্রশাসন ও প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে পরিবারটিকে প্রাথমিকভাবে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শংকরের কর্মসংস্থান এবং স্থানীয়ভাবে ব্যবসার সুযোগ তৈরির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে শোকাহত পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া ও তাদের সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক আহমেদ জানান, উপজেলা প্রশাসন পরিবারটির পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিহতরা হলেন নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের বাসিন্দা শংকর বেপারীর স্ত্রী রীনা বেপারী (৩৯) ও মেয়ে আদ্রিতা বেপারী (৯)।
এর আগে সোমবার রাত ৯টার দিকে নেছারাবাদ ও নাজিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী শ্রীরামকাঠী-ভরতকাঠী ফেরিঘাট এলাকায় কালিগঙ্গা নদীতে যাত্রীবাহী একটি ট্রলার ডুবে যায়। এতে শংকর বেপারীর স্ত্রী ও মেয়ে প্রাণ হারান।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫০ জনের বেশি যাত্রী ও ছয়টি মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রলারটি ঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামালের চাপে ভারসাম্য হারিয়ে ঘাট ছাড়ার পরপরই ট্রলারটি ডুবে যায়। অধিকাংশ যাত্রী তীরে উঠতে সক্ষম হলেও নিখোঁজ হন রীনা ও আদ্রিতা।
পরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে শিশু আদ্রিতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বুধবার সকাল ৯টার দিকে নাজিরপুরের মধুরাবাদ এলাকায় কালিগঙ্গা নদীতে ভাসমান অবস্থায় রীনা বেপারীর মরদেহ পাওয়া যায়। তাঁর দেবর মিন্টু বেপারী মরদেহ শনাক্ত করেন।
স্ত্রী ও মেয়েকে হারিয়ে শোকাহত শংকর বেপারীর পরিবারের দুর্দিনে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি তাঁর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটির পাশে থাকার কথাও জানানো হয়েছে।








