Logo

কওমি মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, পরিচালক গ্রেপ্তার

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
গাইবান্ধা
১ নভেম্বর, ২০২৬, ২২:০১
কওমি মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, পরিচালক গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধায় একটি কওমি মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাসান আলী ডাক্তারকে (৬৯) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৩। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে এসআরবি-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এসআরবি-১৩-এর বিজ্ঞপ্তি ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর আগে ওই কিশোরীকে ‘দ্বীনের দিশারী মহিলা হাফেজিয়া ও কওমি মাদ্রাসার’ আবাসিক শাখায় ভর্তি করা হয়। তার বাবা-মা ঢাকায় বসবাস করলেও নিয়মিত মেয়ের সঙ্গে দেখা করতেন এবং তার খরচ পাঠাতেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত প্রায় ছয় মাস ধরে মাদ্রাসার পরিচালক হাসান আলী ওই কিশোরীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। গত ২৮ আগস্ট ভোরে মাদ্রাসাসংলগ্ন নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন তিনি। বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যা ও গুম করার হুমকি দিয়ে কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

পরে কৌশলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা বাবা-মাকে বিষয়টি জানায় ওই কিশোরী। ৩১ আগস্ট তার বাবা-মা মাদ্রাসায় গিয়ে মেয়ের কাছ থেকে ঘটনা শোনেন। পরদিন, ১ সেপ্টেম্বর, তাঁরা গাইবান্ধা সদর থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।

মামলা হওয়ার পর থেকে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এসআরবি-১৩। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে শ্যামলী ট্রাভেলসের কাউন্টারের সামনে অভিযান চালিয়ে হাসান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর তাঁকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD