Logo

ছুটির দিনেও সচল সাভার-আশুলিয়ার ৮৮ কারখানা, পরিবেশ স্বাভাবিক

profile picture
উপজেলা প্রতিনিধি
সাভার, ঢাকা
৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১৩:০০
ছুটির দিনেও সচল সাভার-আশুলিয়ার ৮৮ কারখানা, পরিবেশ স্বাভাবিক
ছবি: সংগৃহীত

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারেও কর্মচাঞ্চল্য দেখা গেছে ঢাকার সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে। জরুরি উৎপাদন ও শিপমেন্টের প্রয়োজনে ৮৮টি পোশাক কারখানা খোলা রাখা হয়েছে। এসব কারখানায় শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। পুরো শিল্পাঞ্চলেই বিরাজ করছে স্বাভাবিক পরিবেশ। কোথাও নতুন করে শ্রমিক অসন্তোষ বা বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকে সাভারের হেমায়েতপুর, সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন শিল্প পুলিশের সদস্যরা।

শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও স্বাভাবিক সময়ে কিছু পোশাক কারখানা উৎপাদন কার্যক্রম চালু রাখে। বিশেষ করে জরুরি শিপমেন্ট থাকলে সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের কাজ করতে হয়। শুক্রবারও একই কারণে ৮৮টি কারখানা খোলা রয়েছে। সকাল থেকেই এসব প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকরা নির্বিঘ্নে কাজে যোগ দিয়েছেন।

শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ বলেন, শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সাধারণত শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে অধিকাংশ কারখানা বন্ধ থাকে। তবে জরুরি প্রয়োজনের ভিত্তিতে কিছু কারখানা চালু রাখা হয়। শুক্রবারও এ ধরনের ৮৮টি কারখানা খোলা রয়েছে। পুরো এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, শুক্রবার সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক রয়েছে। জরুরি প্রয়োজন রয়েছে এমন ৮৮টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন চলছে। শ্রমিকরাও শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে শ্রমিক সংগঠনের নেতারাও শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, স্বাভাবিক সময়েও জরুরি প্রয়োজনে কিছু কারখানা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চালু থাকে। শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। গতকাল থেকেই শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। পুরোদমে কাজ শুরু হলেও এই পরিবেশ বজায় থাকবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

তিনি আরও বলেন, মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এখন শ্রমিকদের মজুরিসংক্রান্ত দাবি ও অসন্তোষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন সচল রাখা উচিত।

বিজ্ঞাপন

তবে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হলে কাজে ফেরার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। এ জন্য শ্রমিকদের বাড়িতে গিয়ে পুলিশি তল্লাশি ও হয়রানির অভিযোগের মতো পরিস্থিতি বন্ধ করার পাশাপাশি তাঁদের নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান এই শ্রমিক নেতা।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD