নতুন প্রজন্মের কাছে ৭ নভেম্বরের ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান ড্যাব নেতাদের

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) নেতারা। তাঁদের মতে, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে ইতিহাস সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা প্রয়োজন।
বিজ্ঞাপন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শনিবার (৭ নভেম্বর) ময়মনসিংহে আলোচনা সভার আয়োজন করে ড্যাবের জেলা শাখা। নগরীর লবঙ্গ রেস্টুরেন্টে বাদ এশা অনুষ্ঠিত এ সভায় দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বিভিন্ন প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ড্যাব ময়মনসিংহ জেলা শাখার আহ্বায়ক ডা. এ কে এম ওয়ালীউল্লাহর সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালনা করেন জেলা শাখার সদস্যসচিব ডা. পারভেজ শামস।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী।
বিজ্ঞাপন
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তফা জাহিদ কামাল, ড্যাব সিবিএমসিবি শাখার সাবেক সভাপতি উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মুশেদ আলম, সাবেক আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. রুহুল কুদ্দুস রুপম, ড্যাব মচিমহা শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. আল্লামা ইকবাল, মহানগর জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক ড্যাব নেতা ডা. কামাল উদ্দিন, শিক্ষক ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাবেক অধ্যক্ষ সাইকুল ইসলাম মল্লিক, এভি বাকৃবি শাখার নেত্রী ওয়াহিদা ইয়াসমিন লিপি, কোষাধ্যক্ষ মো. আজিজুল হক ও জেলা জিয়া পরিষদের আসিফ মোহাম্মদ হামজা তালুকদার।
এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির নেতা ডক্টর জহিরুল আলম, শিক্ষক নেতা আব্দুস সাত্তার, ড্যাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদ হোসেন, জেলা জিয়া পরিষদের সহসভাপতি আব্দুল আউয়াল, ডা. সারবিন আজাদ, ড্যাব নেতা ডা. গোলাম মুর্তজা, রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা প্রকৌশলী মইনুল হাসান মনি, ফুলবাড়ীয়া উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রশীদ তামান্না, মহানগর জিয়া পরিষদের সহসভাপতি মো. আব্দুর রউফ, ত্রিশাল উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখার ড্যাব সদস্য অধ্যাপক ডা. আমিনুল ইসলাম শামীম, সদস্যসচিব মেহেদী হাসান এবং মমেক শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিজভী আহমেদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁরা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। দীর্ঘ প্রতিকূলতা অতিক্রম করে জেলা ড্যাবের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিতে পেরে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর ভূমিকা এবং পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেশ পরিচালনায় তাঁর অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী বলেন, তাঁর রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের বিভিন্ন দিক ইতিহাসের আলোকে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে যথাযথ সম্মান জানানো এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
আলোচনা সভায় অন্যান্য বক্তারাও জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমি ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁদের মতে, দেশের ইতিহাস সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশ ও জাতির কল্যাণে পারস্পরিক ঐক্য, সম্প্রীতি এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তাঁরা।








