তারেক রহমানের পক্ষে গণসংযোগে গনতান্ত্রিক জাগ্রত বাংলাদেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে সামাজিক সংগঠন ‘গনতান্ত্রিক জাগ্রত বাংলাদেশ’। রাজধানীর শাজাহানপুর, বাশতলা ও গুলশান ডেভেলপমেন্ট জোনজুড়ে পরিচালিত এই কর্মসূচিতে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন গনতান্ত্রিক জাগ্রত বাংলাদেশ-এর সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম কলিম। গণসংযোগের অংশ হিসেবে তারা নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার ও আবাসিক এলাকায় গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আসন্ন নির্বাচন নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।
এ সময় নেতাকর্মীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র সংস্কার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেন। পাশাপাশি তারা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বিজ্ঞাপন
গণসংযোগ চলাকালে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। অনেক ভোটার দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিবর্তনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
কর্মসূচি চলাকালে মো. জহিরুল ইসলাম কলিম বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের প্রশ্নে জনগণ এখন ঐক্যবদ্ধ। ঢাকা-১৭ আসনের ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে তারা প্রস্তুত।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১
বিজ্ঞাপন
এ কর্মসূচিতে গনতান্ত্রিক জাগ্রত বাংলাদেশ-এর বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন আশরাফুল আলম হান্নান, মো. মোস্তফা, সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন শাহিন, রাজু আহম্মেদ শাহ, সৈয়দ মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, আশরাফুল কবির বাচ্চু, আলমগীর হোসেন লিটন, সিউলি আক্তার, মেহেদী হাসান, মাহমুদুল হাসান, শিরিন আক্তার, সুব্রত পাল, এস কে সঞ্জয়, মোস্তাফিজুর রহমান সাগর, আলী আজগর শাওন, মো. মাহাবুব আলম, মো. আলাউদ্দিন, কমর উদ্দিন, রোজিনা বেগম, রতনা বেগম, আব্দুল আলিম, মো. আ. কাদের, ইঞ্জিনিয়ার তরিকুল ইসলামসহ সংগঠনের বহু নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এই গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিটি এলাকায় সাধারণ ভোটারদের কাছে পৌঁছে গিয়ে তারা বিএনপির রাজনৈতিক দর্শন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরতে চান বলে নেতারা জানান।








