পল্লবীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় প্রতিবেশী

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর অচেতন অবস্থায় সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখে পালানোর চেষ্টা করেছেন এক প্রতিবেশী। স্থানীয় জনতা অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
বিজ্ঞাপন
গুরুতর আহত কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, কিশোরী ও তার বড় ভাই অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করেন। প্রায় এক বছর আগে তাদের মা মারা যান। অভিযুক্ত মো. আনোয়ার হোসেন সাঈদ (৫০) দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন এবং কুপ্রস্তাব দিতেন।
বিজ্ঞাপন
গত শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কিশোরী শৌচাগার থেকে ফেরার সময় আনোয়ার তাকে জোর করে নিজ ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে মারধর করে মুখে বালিশ চেপে অচেতন করেন এবং ধর্ষণ করেন। পরে বিবস্ত্র অবস্থায় তাকে বাসার পাশের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
শনিবার ভোরে আরেক প্রতিবেশী ওজু করতে গিয়ে ট্যাংকে কিশোরীকে দেখতে পান এবং চিৎকার করে উঠলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে।
বিজ্ঞাপন
ঘটনা জানাজানি হলে উত্তেজিত জনতা আনোয়ারকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।








