সায়েন্সল্যাব ছেড়ে সচিবালয়ের উদ্দেশে পরীক্ষার্থীদের লংমার্চ

তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে প্রায় আধা ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচি ও সড়ক অবরোধ শেষে সচিবালয়ের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু করেছেন আন্দোলনরত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৩টা ৫ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। তারা সড়ক ছেড়ে যাওয়ার পর সায়েন্সল্যাব মোড়সহ আশপাশের এলাকায় ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং তিন দফা দাবির সমর্থনে নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। পরে তারা একত্রিত হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু করেন। পুরো কর্মসূচি চলাকালে মিছিলের সামনে ও দুই পাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়।
লংমার্চে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি জানাতে এসেছি। আমাদের তিন দফা দাবি এখনো পূরণ হয়নি। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গিয়ে আমাদের দাবি জানাব।
বিজ্ঞাপন
নূরনন্নবী নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, দুর্যোগের মধ্যেও পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ভোগান্তিতে পড়েছে। আমাদের দাবিগুলো যৌক্তিক। সরকার যেন দ্রুত এগুলো বাস্তবায়ন করে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মিছিল চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক, দাবি এক—শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ’ এবং ‘তুমি কে, আমি কে—ফার্মের মুরগি’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ ছাড়া তাদের হাতে পরীক্ষা স্থগিত, পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিসংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
বিজ্ঞাপন
শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে দেওয়ার পর সায়েন্সল্যাব মোড়, মিরপুর সড়ক, এলিফ্যান্ট সড়ক এবং শাহবাগমুখী সড়কে দীর্ঘ সময় আটকে থাকা যানবাহন ধীরে ধীরে চলাচল শুরু করে। এর আগে তাদের সড়ক অবরোধের কারণে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—দুর্যোগ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাখা, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।








