Logo

বাবুবাজার-বাদামতলীতে উচ্ছেদ অভিযানে ২১ মামলা

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১৭:৪১
বাবুবাজার-বাদামতলীতে উচ্ছেদ অভিযানে ২১ মামলা
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বাবুবাজার ও বাদামতলী এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ। অভিযানে ভাসমান দোকান, অবৈধ পার্কিং ও বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইন অমান্যের অভিযোগে ২১টি মামলা করে প্রায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বাবুবাজার ব্রিজের নিচের বাদামতলী এলাকা থেকে ওয়াইজঘাট পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানের সময় বাবুবাজার ব্রিজের নিচে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ইজারা বাতিল করা চারটি ব্লকে থাকা অবৈধ ভাসমান দোকান ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হয় অবৈধভাবে রাখা যানবাহন ও পার্কিং।

বাদামতলী থেকে ওয়াইজঘাট পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে বসানো ফলের দোকানসহ অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হয়। সড়কে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যানবাহনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয় পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

এর আগে মঙ্গলবার একই এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছিল। ধারাবাহিক উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বুধবার দ্বিতীয় দিনের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

অভিযানে ট্রাফিক লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. মফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার এহসানুল কামরান তানভীর এবং কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) একেএম মনজুরুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ডিসি মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, অবৈধ পার্কিং ও সড়ক অবরোধের কারণে ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে ২১টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় আনুমানিক এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া ফুটপাত দখল করে ভাতের হোটেল পরিচালনার অভিযোগে একটি দোকানের মালিককে আটক করা হয়েছে।

তিনি জানান, বাবুবাজার এলাকায় নির্ধারিত সময়ের বাইরে ভারী যানবাহন চলাচল করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী রাত ১০টার পর ভারী যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে এবং সকাল ৮টার মধ্যে সেগুলোকে বের হয়ে যেতে হবে।

বিজ্ঞাপন

বাবুবাজার ব্রিজে ওঠানামার দুটি সিঁড়িকেও যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এসব সিঁড়ি দিয়ে পথচারীরা ব্রিজে ওঠানামা করেন এবং বাসে যাত্রী ওঠানামা করায় সেখানে যানজট সৃষ্টি হয়। তবে সিঁড়ি দুটি বন্ধ করা কতটা যৌক্তিক, তা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। কারণ সিঁড়ি ব্যবহার করে মানুষ সহজেই পাশের মিটফোর্ড হাসপাতালে যেতে পারেন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

রাস্তার ওপর দোকান বসানোর বিষয়ে ডিসি বলেন, কোনো অবস্থাতেই সড়ক দখল করে দোকান পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। কিছু ব্যবসায়ী ট্রাককে ভ্রাম্যমাণ দোকান হিসেবে ব্যবহার করছেন। রাস্তার ওপর ট্রাক রেখে পেছনের অংশ খুলে পণ্য বিক্রির কারণে দীর্ঘ সময় সড়ক দখল হয়ে থাকে এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাবুবাজার ও বাদামতলীসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD