ঢাকার নিরাপত্তায় কড়াকড়ি, দুই শতাধিক চেকপোস্টে চলছে তল্লাশি

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনার পর ঢাকাজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, প্রবেশ ও বহির্গমনপথ এবং ফ্লাইওভার এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। বিশেষভাবে মোটরসাইকেল তল্লাশিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, শুক্রবার রাত থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিরাপত্তা প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে, আরও কিছু মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কাফরুল থানার সামনে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায়ও মামলা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
নিয়াজ মেহেদী বলেন, ঢাকার দুই শতাধিক স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান, ফ্লাইওভার ও প্রবেশপথে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে মোটরসাইকেলের ওপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে, যাতে অবৈধ মোটরসাইকেল চলাচল কিংবা সেগুলো ব্যবহার করে কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানো না যায়।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, নিয়মিত চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের অপতৎপরতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি ও তৎপরতা চলমান থাকবে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে শুক্রবার দুপুর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রাজধানীর সাতটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোট ১৪টি ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী, বাবুবাজার, বিটিভি ভবনের সামনে এবং মগবাজার মোড়ে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে কাফরুল থানার সামনে একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এদিকে শুক্রবার ফার্মগেট এলাকায় তেজগাঁও মসজিদ থেকে ২৩ জনকে আটক করে পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত চলছে।








