নজরুল বর্ষ উদযাপনে ঢাকা বিভাগীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা, সাম্য ও মানবতার বাণী নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে ‘নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা’র ঢাকা বিভাগীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলা থেকে জেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জনকারী প্রায় ৫০০ প্রতিযোগী অংশ নেয়।
দিনব্যাপী আয়োজনে নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, অভিনয়, নৃত্য, ইসলামি সংগীত ও গজল, হামদ-নাত, রচনা এবং উপস্থিত বক্তৃতাসহ বিভিন্ন বিভাগে প্রতিযোগীরা নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরে। বিচারকদের মূল্যায়নে প্রতিটি বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের নির্বাচিত করা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
•
•
•
বিজ্ঞাপন
বিকেলে বিদ্যালয় ও কলেজের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, জাসাসের আহ্বায়ক হেলাল খান, সদস্যসচিব জাকির হোসেন রোকন এবং আজিমপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ নূরজাহান আক্তার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা। পরে বিজয়ীদের হাতে মেডেল ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা। এরপর শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন উপস্থিত অতিথিরা।
বিজ্ঞাপন
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সাহিত্য ও সংগীতে অন্যায়-অবিচার, পরাধীনতা ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁর সৃষ্টিকর্মে সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধের যে বার্তা রয়েছে, তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নজরুলের জীবনাদর্শ ও প্রতিবাদী চেতনায় অনুপ্রাণিত হবে। পাশাপাশি তাঁর উদার মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে একটি উন্নত, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে তারা।








