Logo

ইশরাকের অভিযানের পর এবার সেই মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে পুলিশ

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪:৩০
ইশরাকের অভিযানের পর এবার সেই মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে পুলিশ
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন এলাকায় মাদক কারবার ও সেবনের আখড়া হিসেবে পরিচিত অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করছে পুলিশ। সম্প্রতি মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করা ইশরাক হোসেনের অভিযান চালানো সেই এলাকায় মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) শুরু হয়েছে এ কার্যক্রম।

বিজ্ঞাপন

বেলা সাড়ে ১১টা থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। সিটি করপোরেশনের হুইল লোডার ব্যবহার করে রেললাইনের পাশে ছোট ছোট ঘরের মতো তৈরি অবৈধ স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, রেললাইনের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো সরিয়ে এলাকাটি পরিষ্কার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে যানবাহন চলাচলের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা হবে।

এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘ঘুন্টিঘর এলাকায় রাস্তা-ঘাট সব পরিষ্কার কইর‍্যা, ওইডা ক্লিন কইর‍্যা গাড়ি চলাচলের যোগ্য করতাছি। রেললাইনের পাশে যে মাদকের আড্ডা ছিল, ওইটা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। একদম নিট অ্যান্ড ক্লিন করে সবসময় গাড়ি মুভমেন্ট করবে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের যন্ত্রপাতি, সাবেক কাউন্সিলর, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। এ কাজে এলাকার মানুষের সহযোগিতা রয়েছে।’

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

গত ১৯ অক্টোবর ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন, মুন্সিরটেকসহ আশপাশের মাদকপ্রবণ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও এসআরবি-১০। ওই অভিযানে অন্তত ১৪ জনকে আটক করা হয়। ডিএনসির ঢাকা মেট্রো-দক্ষিণের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।

এর আগে ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় আলোচনায় আসেন ইশরাক হোসেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই মাদক কেনাবেচা ও সেবনের স্থান হিসেবে পরিচিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালালেও কিছুদিন পর সেখানে আবারও মাদকসেবী ও কারবারিদের আনাগোনা শুরু হয়।

কয়েক মাস আগে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শককে গুলি করার ঘটনা ঘটে। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে একাধিক অভিযান পরিচালনা করে। তবে মাদক কেনাবেচা বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ আসছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD