সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে ফায়ার ফাইটিং প্রশিক্ষণ সমাপনী

সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এভিয়েশন ফায়ার ফাইটিং বিষয়ক ৯০ দিনব্যাপী Crash Fire & Rescue Basic Course-এর সমাপনী অনুষ্ঠান ও প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞাপন
ফায়ার ফাইটিং বিষয়ক এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদার এবং সম্ভাব্য বিমান দুর্ঘটনা মোকাবেলায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলা। কোর্সে অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা International Civil Aviation Organization এর মানদণ্ড অনুসরণ করে বিমানবন্দরের অগ্নি নিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, বিমান চলাচলে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিমান দুর্ঘটনা মোকাবেলায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সকল বিমানবন্দরে অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলেই এ প্রশিক্ষণের সার্থকতা পূর্ণতা পাবে।
বিশেষ অতিথি পরিচালক (ফায়ার) এ এস এম খালেদ বলেন, ICAO মানদণ্ড অনুযায়ী বিমানবন্দর পরিচালনা এবং এয়ারপোর্ট ইমারজেন্সি প্ল্যান বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা, বাস্তব চ্যালেঞ্জ এবং কার্যকর কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বিজ্ঞাপন
উক্ত কোর্সটি বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-এর চলমান প্রচেষ্টার অংশ, যা ICAO-এর গ্লোবাল এভিয়েশন ইমারজেন্সি প্ল্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বিমান চলাচল খাতে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। এ কোর্সে সংস্থার ফায়ার বিভাগে কর্মরত ৫ জন অগ্নি নির্বাপন কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণার্থীরা গত পাঁচ মাসে অগ্নি নির্বাপন মহড়া, ফায়ার টেন্ডার পরিচালনা, উদ্ধার কার্যক্রম এবং তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক বিভিন্ন মডিউলে অংশ নেন, যা বিমানবন্দরে যেকোনো ধরনের অগ্নিকাণ্ডজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।








